নন্দীগ্রাম মামলা গৃহীত হলেও অনুপস্থিত মমতা, শুনানি পিছোল এক সপ্তাহ

hearing-on-Nandigram-case-deferred-in-Calcutta-High-Court.jpg

কলকাতা: নন্দীগ্রাম (Nandigram) কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেটি আজ গৃহীত হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। কিন্তু তার শুনানি আজ হয়নি। বিচারপতি কৌশিক চন্দ শুনানি এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিয়েছেন। আগামী বৃহস্পতিবার, ২৪ তারিখ মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হওয়ার কথা।
এ বারের নির্বাচনে এমনিতেই ছিল হাইভোল্টেজ। তার উপরে নন্দীগ্রাম (Nandigram) সবচেয়ে নজরকাড়া আসন। কারণ সেখানে মমতা (Mamata Banerjee) ও শুভেন্দু অধিকারী একে অন্যের মুখোমুখি হন। গত ২ মে নির্বাচনের ফল বেরোয়। এক সময়ে রটে যায় মমতা দিতে গিয়েছেন। কিন্তু পরে ফল প্রকাশিত হওয়ায় উঠে আসে অন্য চিত্র। দেখা যায়, জিতেছেন শুভেন্দু।
ভোটে গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন মমতা (Mamata Banerjee)। বৃহস্পতিবার রাতের দিকে এ নিয়ে হাইকোর্টে নিজেই মামলা করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের কাছে আগে গণনায় কারচুপির অভিযোগ জানানো হয়। কিন্তু কমিশন সেই অভিযোগ মানেনি। হাইকোর্ট (Calcutta High Court) মামলাটি গ্রহণ করে কি না, সে দিকে নজর ছিল সকলের। এ দিন মামলা গ্রহণ করলেও শুনানি পিছিয়ে দিয়েছে আদালত।
আজ, শুক্রবার বেলা ১১টা নাগাদ মামলাটি হাইকোর্টে ওঠে। কিন্তু মমতা (Mamata Banerjee) উপস্থিত ছিলেন না। এদিকে জন প্রতিনিধি আইন অনুযায়ী এই ধরনের মামলার শুনানির সময় আবেদনকারীর উপস্থিত থাকার কথা। বিচারপতি কৌশিক চন্দ সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। তাই আদালতে মমতার উপস্থিতির কথা জানান বিচারপতি। মমতার (Mamata Banerjee) আইনজীবীর কাছে তিনি জানতে চান, মামলাকারী কি উপস্থিত থাকতে পারবেন? জবাবে আইনজীবী এস এন মুখোপাধ্যায় জানান, নিয়ম মেনেই চলা হবে।
নির্বাচনের দিনই রিগিংয়ের অভিযোগ তুলেছিলেন মমতা (Mamata Banerjee)। নন্দীগ্রামের একটি বুথে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকেন নিজে। চিঠি লেখেন নির্বাচন কমিশনে। কিন্তু কমিশন তাতে কর্ণপাত করেনি। উল্টে কড়া জবাব দেয় মমতাকে।
মমতার (Mamata Banerjee) আইনজীবী নন্দীগ্রামের নির্বাচনী পদ্ধতি বাতিল ঘোষণার আবেদন জানান। হাইকোর্টের কাছে ওই কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের আবেদনও করেন। মামলায় কোন কোন ধারা যুক্ত হতে পারে, সবই তিনি বিচারপতিকে জানান।
তবে মামলায় যুক্ত সব পক্ষকে এখনও আবেদনের প্রতিলিপি পাঠানো হয়নি। সে কাজ করতে হবে। মামলার নোটিস পাঠাতে হবে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কাছে। বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানান, এ জন্য এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার মামলাটির পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top