টোকিও অলিম্পিক্সে ভারত থেকে একমাত্র ভারোত্তোলক মীরাবাঈ

Saikhom-Mirabai-Chanu.jpg

Onlooker desk: দেশের একমাত্র ভারোত্তোলক হিসাবে আসন্ন টোকিও অলিম্পিক্সে প্রতিযোগিতার জন্য স্থান করেল নিলেন মীরাবাঈ চানু। ইন্টারন্যাশনাল ওয়েটলিফটিং ফেডারেশন (আইডব্লিউএফ)-এর বিচারে মহিলাদের ৪৯ কেজি ভারোত্তোলনে দ্বিতীয় হন প্রাক্তন এই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। তার পরে তাঁকে অলিম্পিক্সে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শুক্রবার আইডব্লিউএফ প্রকাশিত তালিকায় প্রথম হন চিনের হৌ ঝিহুই। মীরাবাঈ পেয়েছেন ৪১৩৩,৬১৭২ পয়েন্ট আর হৌ-এর ঝুলিতে ৪৯২৬,৪৪২২ পয়েন্ট।
মীরাবাঈয়ের বিশ্ব র্যা৭ঙ্কিং সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরেই অলিম্পিক্সে তাঁর নাম পাঠায় দ্য ইন্ডিয়ান ওয়েটলিফটিং ফেডারেশন।
মীরাবাঈ মোট ২০৫ কেজি ভার উত্তোলন করেছেন। তার মধ্যে ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১১৯ কেজির ওয়ার্ল্ড রেকর্ড রয়েছে তাঁর। যার স্বীকৃতি হিসাবে এপ্রিলে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ পদক পান তিনি। অলিম্পিক্সেও পদক জয়ের ব্যাপারে তাঁর জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে আমেরিকায় প্রশিক্ষণ চলছে তাঁর।
সইখম মীরাবাঈ চানুর জন্ম ইম্ফলে ১৯৯৪-এর অগস্টে। ২০১৪ থেকে ৪৮ কেজি ক্যাটেগরিতে আন্তর্জাতিক স্তরে নানা প্রতিযোগিতায় নিয়মিত অংশ নেন তিনি। কমনওয়েলথ গেমলে একাধিক পদক জিতেছেন তিনি। ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রীতে সম্মান জানিয়েছে। ২০১৮-তে পেয়েছেন রাজীব গান্ধী খেল রত্নও।
অন্যদিকে, পুরুষদের ৬৭ কেজি ক্যাটেগরিতে দ্বাদশ স্থানে থাকা জেরেমি লালরিননুঙ্গার এ বার অলিম্পিক্সে যাওয়া হলো না। কারণ ‘কনটিনেন্টাল’ কোটায় সেই সুযোগ পেলেন একাদশতম স্থানে থাকা দক্ষিণ কোরিয়ার হান মায়েংমক।
প্রত্যেক ওজনের ক্যাটেগরিতে প্রথম আটে থাকা খেলায়োড়রা ‘ওয়ার্ল্ড’ কোটায় অলিম্পিক্সে প্রতিযোগিতার সুযোগ পান। তার পরের পাঁচ জন যান ‘কনটিননেন্টাল’ কোটায়। একটি স্থান বরাদ্দ থাকে হোস্ট কান্ট্রি বা ত্রিপাক্ষিক আমন্ত্রণ কাকে পাঠানো হচ্ছে, তার জন্য।
আইডব্লিউএফ-এর সেক্রেটারি সহদেব যাদব অবশ্য জানিয়েছেন, ইয়ুথ অলিম্পিক্সের চ্যাম্পিয়ন জেরেমিকে এখনই অলিম্পিক্স থেকে ছিটকে যাওয়া বলা ঠিক হবে না। কারণ কোটা রিঅ্যালোকেশনের সময় পেরিয়ে যায়নি। যাদবের কথায়, ‘জেরেমি অলিম্পিক্সে যেতে পারলেন কি না, তা জানার জন্য আগামী ৫ জুলাই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’
হোস্ট কান্ট্রি সহ বিভিন্ন দেশকে আইডব্লিউএফ-এর কাছে নির্ধারিত দিনের মধ্যে কোটার স্থান জানাতে হয়। পাশাপাশি আইডব্লিউএফ জানিয়েছে, কোনও খেলোয়াড়ের র্যা ঙ্কই চূড়ান্ত বিবেচ্য হবে না। তার আগে তাঁকে ডোপ টেস্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। এই সবকিছু মাথায় রেখে ৬৭ কেজি পুরুষদের ক্যাটেগরিতে আইডব্লিউএফ কোটার স্থান রিঅ্যালোকেট করলে জেরেমির অলিম্পিক্সে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম নয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top