অলিম্পিক্সে পদক নিশ্চিত লাভলিনার, ম্যাচে রিং ড্রেস বদল নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মেরি কম

Lovlina-Borgohain-Olympics.jpg

Onlooker desk: টোকিও অলিম্পিক্সে (Tokyo Olympics) দ্বিতীয় পদকের জন্য ভারতের অপেক্ষার অবসান ঘটল। বক্সার লাভলিনা বোরগোহাঁই (Lovlina Borgohain) কোয়ার্টার ফাইনালে জিতে সেমিফাইনালে প্রবেশ করলেন আজ, শুক্রবার।
অলিম্পিক্সের (Tokyo Olympics) নিয়মে সেমিফাইনালিস্টরা অন্তত ব্রোঞ্জ পদক পান। বিভাজিত সিদ্ধান্তে উইমেন’স ওয়েল্টারওয়েট ক্যাটেগরিতে চাইনিজ তাইপেই-র চেন নিয়েন চিনকে পরাস্ত করেন লাভলিনা (Lovlina Borgohain)।
বছর ২৩-এর অসমিয়া কন্যা তাঁর পারদর্শিতার প্রমাণ রাখেন প্রথম রাউন্ডেই। ৩-২ এ প্রথম রাউন্ড জেতেন তিনি। দ্বিতীয় রাউন্ডে লাভলিনা (Lovlina Borgohain) জেতেন ক্লিন সুইপে। চূড়ান্ত পর্বেও তিনি চাপিয়ে খেলেন। জয় আসে ৪-১ এ। বিভাজিত সিদ্ধান্তে ৪-১ এ জেতেন তিনি।
অসমের গোলঘর জেলার বরা মুখিয়া গ্রামে লাভলিনার (Lovlina Borgohain) বাড়ি। গত বছর জুলাইয়ে ভারতীয় বক্সাররা যখন জাতীয় ক্যাম্পে প্র্যাকটিস করছিলেন, তখন শারীরিক অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন লাভলিনা (Lovlina Borgohain)। সেরে উঠে বাবার সঙ্গে ধান চাষে হাত লাগিয়েছিলেন।
লাভলিনা দু’টি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ানশিপে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন। দু’টি এশিয় চ্যাম্পিয়ানশিপেও ব্রোঞ্জ জেতেন তিনি।
কিন্তু এ বার পদকের রং যা-ই হোক না কেন, মেরি কমের পর লাভলিনাই (Lovlina Borgohain) দ্বিতীয় ভারতীয় মহিলা হিসাবে অলিম্পিক্সের পদক আনবেন দেশের হয়ে। ২০১২-য় ব্রোঞ্জ পদকজয়ী মেরি কম (Mary Kom) বৃহস্পতিবার রাউন্ড অফ ১৬ ম্যাচে পরাজিত হন। কলম্বিয়ার ইনগ্রিট ভ্যালেনসিয়া জেতেন ওই ম্যাচে।
কিন্তু ম্যাচটি নিয়ে টুইটারে প্রশ্ন তুলেছেন মেরি কম (Mary Kom)। প্রি-কোয়ার্টার্সের ঠিক আগে কেন তাঁকে রিং ড্রেস বদলাতে বলা হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মেরি (Mary Kom)।
টুইটে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর ও কিরেণ রিজিজু, আইওসি মিডিয়া এবং অলিম্পিক্সকে ট্যাগ করেন তিনি। লেখেন — বিস্ময়কর…কেউ বলতে পারেন রিং ড্রেস কী হবে। প্রি কোয়ার্টার ফাইনাল শুরুর এক মিনিট আগে আমাকে রিং ড্রেস বদলাতে বলা হয়, কেউ এর ব্যাখ্যা দিতে পারবেন?
পরাজয়ের পর মেরি কম জানিয়েছিলেন, কলম্বিয়ান ওই বক্সারকে অতীতে একাধিক বার হারিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার অলিম্পিক্সে সিদ্ধান্ত যে তাঁর বিরুদ্ধে গিয়েছে, সেটা প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি ভারতীয় এই তারকা।
তিনি বলেন, ‘রিংয়ের ভিতরে আমি খুশি ছিলাম। রিং থেকে বেরোনোর সময়ও ভালো লাগছিল। মনে মনে আনন্দ হচ্ছিল এই ভেবে যে আমিই জিতেছি। ওরা যখন আমাকে জোপ টেস্টের জন্য নিয়ে গেল, তখনও আমার কোনও সংশয় ছিল না। কিন্তু পরে সোশ্যাল মিডিয়া দেখে, আমার কোচ ছোটেলাল যাদবের থেকে শুনে বিষয়টা আত্মস্থ হয়।
মেরি কম বলেন, ‘অতীতে এই মেয়েটিকে আমি দু’বার পরাস্ত করেছি। আমি বিশ্বাস করতে পারিনি যে ওর হাতটা রেফারি তুলে ধরলেন। সত্যি বলছি, আমি যে হেরে গিয়েছি, সেটা মানতেই পারিনি। এতটাই নিশ্চিত ছিলাম।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top