সৎকারের আট দিন বাদে বাড়ি ফিরে এলেন ‘মৃত’ ব্যক্তি

WhatsApp-Image-2021-05-28-at-1.11.50-AM.jpeg

Onlooker desk: অন্ত্যেষ্টির সপ্তাহখানেক বাদে সশরীরে ফিরে এলেন ‘মৃত’ ওমকার গাড়ুলিয়া। ঘটনাটি রাজস্থানের রাজসামন্দের।
মদ্যপ ওমকার বাড়িরে কিছু না জানিয়েই গত ১১ তারিখে উদয়পুর চলে গিয়েছিলেন। নিভারে কিছু সমস্যার জন্য তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। লকডাউনের কারণে ওমকারের পরিবার আপাতত তাঁর ভাইয়ের বাড়িতে রয়েছে।
এ দিকে, ওই দিনই মোহি এলাকা থেকে গোবর্ধন প্রজাপতি নামে একজনকে কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবী মিলে আর কে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। চিকিৎসা চলাকালীন মারা যান গোবর্ধন। তাঁর দেহ মর্গে রাখা হয়। তিন দিনেও কেউ গোবর্ধনের দেহ নিতে না-আসায় বিষয়টি স্থানীয় কাঁকরোলি থানায় জানানো হয়।
কাঁকরোলি থানার আধিকারিক যোগেন্দ্র ব্যাস বলেন, ‘হাসপাতালের কাছ থেকে চিঠি পেয়ে আমরা মৃতের ছবি চারিদিকে ছড়িয়ে দিই।’
খবর পেয়ে গত ১৫ মে ডজন খানেক পরিবার দেহ শনাক্ত করতে আসে। ওমকারের বাড়ির লোক গোবর্ধনকে ভুল করে তাঁদেরই স্বজন বলে শনাক্ত করে ময়না-তদন্ত ছাড়াই দেহটি দেওয়ার জন্য মুচলেকা দেন। গোবর্ধন ও ওমকারের ডান হাতে একই জায়গায় ক্ষত চিহ্ন রয়েছে এবং তাঁদের চেহারাতেও ভালোই মিল। বাড়ির লোক শনাক্ত করায় ময়না-তদন্ত এবং ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়াই গোবর্ধনের দেহ তুলে দেওয়া হয় ওমকারের পরিবারের হাতে।
দেহ নিয়ে গিয়ে সে দিনই সৎকার করে ফেলে পরিবারটি। এর দিন আষ্টেক বাদে, ২৩ মে হঠাৎ আবির্ভাব ওমকারের। তাঁকে দেখে বাড়ির লোক যেমন অবাক, ঘটনা জেনে তেমনই বাকরহিত ওমকার।
এ বার প্রশ্ন ওঠে। তা হলে যাঁর দেহ সৎকার করা হলো, তিনি কে? পুলিশ তদন্তে নামে। সেই সূত্রেই জানা যায়, মৃতের নাম গোবর্ধন প্রজাপতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top