মমতার ‘অহং’ নিয়ে বিতর্কিত টুইট রাজ্যপালের, আলাপনকে শো-কজ কেন্দ্রের

IMG-20210601-WA0001.jpg

Onlooker desk: বিতর্ক ছাড়া তিনি বড় একটা থাকেন না। সোমবার মধ্যরাতে নতুন করে একটি টুইটে ফের বিতর্ক উস্কে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সেখানে তাঁর দাবি, গত ২৭ মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে মেসেজে লেখেন — আপনার সঙ্গে কথা বলতে পারি? জরুরি দরকার। এর পরে ফোনে ইঙ্গিত দেন, বিরোধী দলনেতা উপস্থিত থাকলে তিনি ও তাঁর অফিসাররা প্রধানমন্ত্রীর রিভিউ মিটিং বয়কট করবেন। টুইটের শেষে লেখা — অহং জিতল আর মানুষের পরিষেবা পরাজিত হলো।
ফের একটি টুইটে লেখেন — গত ২৮ মে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিবরা না-থাকায় দিনটি ‘ব্ল্যাক ডে’ হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকল।
গত শুক্রবারের সেই বৈঠকের রেশ যেন কোনও ভাবেই মেলাচ্ছে না। এবং এই রেশ মেলানোয় তাদের যে বিশেষ আগ্রহ নেই, কেন্দ্রের একের পর এক পদক্ষেপে সে ইঙ্গিত দেখছেন অভিজ্ঞদের কেউ কেউ। সে দিন তৎকালীন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে না থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেই দিঘায় প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে যান। এর খানিকক্ষণ পরে তাঁর দিল্লিতে বদলির চিঠি আসে। এবং দিল্লি না গিয়ে এবং চাকরিতে এক্সটেনশনও না নিয়ে সোমবার অবসর গ্রহণ করেন আলাপন। বর্তমানে তিনি রাজ্য সরকারের মুখ্য উপদেষ্টা।
এর পরেও কেন্দ্রের পত্রবাণে দাঁড়ি নেই। শুক্রবারের সেই বৈঠকে কেন তিনি উপস্থিত ছিলেন না, তা জানতে চেয়ে সোমবার সন্ধ্যায় আলাপনকে শো-কজ লেটার পাঠিয়েছে কেন্দ্র। তিন দিনের মধ্যে উত্তর দিতে হবে তাঁকে। সেখানে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের অফিসারদের জন্য ওই বৈঠকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও অন্যেরা। কিন্তু তাঁরা না-আশায় এক আধিকারিক মুখ্যসচিবকে ফোন করে জানতে চান, রিভিউ বৈঠকে তাঁরা থাকবেন কি না। তারপরে মুখ্যসচিব ও মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকের ঘরে ঢোকেন এবং অল্পক্ষণের মধ্যেই বেরিয়ে যান। কেন্দ্রের ডাকা একটি রিভিউ বৈঠকে উপস্থিত থাকতে মুখ্যসচিব ‘অস্বীকার’ করেন বলে এই চিঠি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top