রাজ্যের চিঠি, জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার্থীদের স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে ওঠার অনুমতি

LOCAL-TRAIN.jpg

কলকাতা: করোনা সংক্রমণ রুখতে বন্ধ রয়েছে লোকাল ট্রেন চলাচল। তবে আগা গোড়াই রেল কর্মীদের জন্য চালু ছিল স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেন। সাধারণ মানুষের অবশ্য তাতে ওঠার সুযোগ নেই। এর মধ্যে প্রথম অফলাইন পরীক্ষা হতে চলেছে জয়েন্ট্র এন্ট্রান্স। শনিবার জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড এই পরীক্ষার আয়োজন করেছে। তবে চিন্তা ছিল পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনো নিয়ে। ছাত্রছাত্রীদের সেই সমস্যার কথা মাথায় রেখে ওই দিন স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সফর করার অনুমতি দিলেন রেল কর্তৃপক্ষ।
লকডাউনের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। যাবতীয় পড়শোনার পাশাপাশি নানা ধরনের পরীক্ষাও হচ্ছে অনলাইনে। এর মধ্যে প্রথম অফলাইন পরীক্ষার আয়োজন করেছে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। কিন্তু পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনো নিয়েই চিন্তা দেখা দেয়। কারণ করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে রাজ্যে এখনও লোকাল ট্রেন চালানোর অনুমতি মেলেনি। শর্ত সাপেক্ষে বাস চালানোর অনুমতি মিললেও তেলের দাম বৃদ্ধি-সহ নানা কারণে বেসরকারি বাস রাস্তায় খুবই কম এবং অনিয়মিত। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাজ্যের তরফেও পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওই দিন স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে উঠতে দেওয়ার ব্যাপারে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করা হয়।
নবান্নের নির্দেশ অনুযায়ী পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারকে চিঠি দেন রাজ্যের পরিবহণ সচিব রাজেশ কুমার সিনহা। এমনকী ওই দিন ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর ব্যাপারেও চিঠিতে আবেদন করা হয়েছে। এদিকে রেলের তরফে জানানো হয়, শনিবার পরীক্ষার্থীরা তাদের অ্যাডমিট কার্ড দেখিয়ে টিকিট কেটে ট্রেনে উঠতে পারবে।
এদিকে অফলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও কোভিড বিধি পালনে সবরকম ব্যবস্থা রাখছে রাজ্য সরকার। পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রেখে ছাত্র-ছাত্রীদের বসানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ বার প্রায় ৯৩ হাজার পরীক্ষার্থীর রাজ্যের জয়েন্টে বসার কথা। এ জন্য কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ২৭৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। ১৭ জুলাই পরীক্ষা গ্রহণের পর ফল প্রকাশিত হবে ১৪ অগস্টের মধ্যে।
বস্তুত, কোভিড পরিস্থিতিতে এই প্রথম কোনও পরীক্ষা অফলাইন নেওয়া হচ্ছে। তাই বাড়তি সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। উচ্চশিক্ষা সচিবও বিভিন্ন জেলাশাসকদের চিঠি দিয়ে উদ্যোগী হতে বলেছেন। প্রথমত জেলায় যাতে বাসের অভাব না-হয়, তা দেখতে হবে। সেই সঙ্গে কোভিড-বিধি বজায় রাখা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখায় দেওয়া হয়েছে জোর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top