থাকবেন না পিকে, আই-প্যাকের সঙ্গে ২০২৬ পর্যন্ত চুক্তি তৃণমূলের

FA782A33-E5E0-4E9E-9D85-4D43F9106443.jpeg

Onlooker desk: ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের (IPAC) সঙ্গে ২০২৬ পর্যন্ত চুক্তি করল তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের জয়ে বড় ভূমিকা এই সংস্থার। যার অন্যতম বড় কারিগর ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। তবে আই-প্যাকের দৈনন্দিন কাজকর্মের সঙ্গে পিকে (PK) আর যুক্ত থাকবেন না।
বস্তুত, গত ২ মে নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরেই জানিয়েছিলেন, এই কাজ ছাড়তে চান তিনি।  শুধু পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল নয়। তামিলনাড়ুতে ডিএমকে-কংগ্রেস জোটের জয়েও পিকে-র (PK) ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাঁকে ছাড়া আই-প্যাকের নেতৃত্বে রয়েছে ৯ সদস্যের দল। তাই তাঁরা কত সহজে ক্লায়েন্টদের জয়ী করতে পারেন, সেটাই দেখার। আসন্ন পঞ্চায়েত, পুর ভোটগুলিতেও ভূমিকা নেবে আই-প্যাক। তৃণমূলের সঙ্গে নতুন চুক্তিতে তেমনটাই বলা হয়েছে।
২০২৬-এ রাজ্যে পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচন। ততদিন আই-প্যাকের সঙ্গে চুক্তি তৃণমূলের (Trinamool)। তার মধ্যে উত্তর প্রদেশ, গুজরাট, কর্নাটক এবং কেন্দ্রীয় সরকার বাছাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। প্রসঙ্গত, রাজ্যের বাইরেও দলকে প্রসারিত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। সপ্তাহখানেক আগে সে কথা জানান তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
নতুন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Abhishek Banerjee) এ কথা জানান। পিকে-কে তিনিই তৃণমূলের ভোটকুশলী হিসাবে আনেন। গত সপ্তাহে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে মুম্বইয়ে বৈঠক সারেন ভোটকুশলী পিকে। প্রসঙ্গত, বাংলার নির্বাচনে মমতাকে সমর্থন করেন পাওয়ার। সে জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে ওই সাক্ষাৎ বলে জানানো হয়েছিল।
এ দিকে, প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর বিপক্ষে প্রধান মুখ হিসাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) দেখতে চাইছেন অনেকে। সেই কারণে মনে করা হচ্ছে, পাওয়ারের সঙ্গে ভোটকুশলীর এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। নির্বাচনে ২১৩টি আসন পেয়েছে তৃণমূল। অন্যদিকে, বিজেপি সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপালেও সুবিধা করতে পারেনি।
যে কারণে জয়ের পর মমতা বলেছিলেন, ‘এর অর্থ বিজেপিকে হারানো যায়। দিনের শেষে গণতন্ত্র ও মানুষের পছন্দই বড়।’ প্রসঙ্গত, এই জয়ে পিকে এবং আই-প্যাকের বড় ভূমিকা। তবে বিরোধী জোটে তিনি মোদীর বিপক্ষ মুখ হবেন কি না, তা নিয়ে কিছু বলেননি। তাঁর কথায়, ‘অনেক সময় তাৎক্ষণিক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। এখন কোভিডের সঙ্গে লড়াইয়ের সময়। সেই লড়াই মিটলে সিদ্ধান্ত হবে। তবে দেশ এর সম্মুখীন হতে পারবে না। বিজেপি মানে বিপর্যয়।’
কয়েক মাসে অন্যতম অ-বিজেপি মুখ হিসাবে উঠে এসেছেন তিনি। সেই সূত্রে মার্চে বিরোধী নেতাদের চিঠি লিখে বিজেপি বিরোধিতায় এক হওয়ার কথা বলেন। ২০১৯-এও বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল মমতার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top