‘উস্কানিমূলক বক্তব্য’, জন্মদিনেই কলকাতা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ মিঠুনকে

Mithun-Chakraborty.jpg

কলকাতা: আজ তাঁর জন্মদিন। আর আজই পুলিশি জেরার মুখে তারকা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)।
অভিযোগ, নির্বাচনের প্রচারে উস্কানিমূলক (inciteful) কথা বলেন তিনি। সেই সূত্রে আজ, বুধবার মিঠুনকে (Mithun Chakraborty) জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। করোনা আবহ। সেই কারণে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কথা হয়।
প্রচারে উস্কানিমূলক কথার অভিযোগে অভিনেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়। সেই মামলা খারিজের আবেদন জানান মিঠুন (Mithun Chakraborty)। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এই আবেদন জানান ৭১ বছরের অভিনেতা (actor)। মিঠুনের ব্যাখ্যা ছিল, তিনি উস্কানি দেননি। সিনেমার সংলাপ বলেছিলেন। কেবল বিনোদনের লক্ষ্যেই তা বলা। মিঠুনের দাবি, তিরি নির্দোষ। উস্কানির অভিযোগ ঠিক নয়।
কী অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে? প্রচারে মিঠুন (Mithun Chakraborty) তাঁর কিছু ছবির বিখ্যাত সংলাপ বলেন। যেমন, ‘মারব এখানে লাশ পড়বে শ্মশানে’। কিংবা ‘এক ছোবলে ছবি’। এমন সংলাপের কারণে মিঠুন হিংসায় উস্কানি দিয়েছেন বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত, গত ৭ মার্চ বিজেপিতে যোগ দেন তিনি।
অভিযোগকারীর দাবি, এই সংলাপগুলি বিভিন্ন গোষ্ঠী-সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা তৈরি করেছে। যে সূত্রে শান্তিভঙ্গ করে ইচ্ছাকৃত ভাবে অসম্মানের ক্ষেত্র তৈরি করেছেন মিঠুন (Mithun Chakraborty)।
শিয়ালদহ কোর্টে (Sealdah Court) অ্যাডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে মামলাটি শুনানির কথা। কিন্তু সেই মামলাই খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন অভিনেতা (actor)। কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) তাঁর ই-মেল আইডি জানাতে বলে। যার মাধ্যমে তাঁকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়। মিঠুনের (Mithun Chakraborty) আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশকে তাঁর সুবিধামতো সময় দিয়ে বলে আদালত। যাতে ভার্চুয়ালি জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়, সে ব্যবস্থাও করতে বলে কোর্ট। সেই সূত্রেই আজকের জিজ্ঞাসাবাদ।
সেই মামলা উঠেছিল বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেই সূত্রে বিচারপতি জানিয়েছিলেন, এর মধ্যে রাজ্যকে মিঠুনের (Mithun Chakraborty) ই-মেল আইডি জানাতে হবে। যার মাধ্যমে তদন্তকারী অফিসারের প্রশ্নে ভার্চুয়ালি উত্তর দিতে পারেন তিনি।
এ দিকে, নির্বাচনের পরে রাজ্যজুড়ে হিংসার খবর মিলেছে। যার অনেক ক্ষেত্রে অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস। পিছিয়ে নেই মিঠুনের (Mithun Chakraborty) দল বিজেপিও। তবে অনেক ক্ষেত্রে ভালো খবরও সামনে এসেছে। যেমন, হিংসার জেরে বাড়িছাড়া বিজেপি কর্মীদের ফিরিয়েছে তৃণমূল। অনেকের দোকান-ব্যবসা খুলতেও সাহায্য করা হয়েছে। গত ২ মে রাজ্যে নির্বাচনের ফল বেরিয়েছে। যে হিংসার সূত্রে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ নিয়ে মুখ খুলেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top