বাঁধ ভাঙল কী করে? তদন্তের নির্দেশ মমতা, ১ হাজার কোটির দুয়ারে ত্রাণেরও ঘোষণা

Polish_20210527_183456931.jpg

কলকাতা: ইয়াসের দাপটে প্রচুর বাঁধ ভেঙেছে রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মোট ১৩৪টি বাঁধ ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কী করে এত বাঁধ ভাঙল, তা নিয়ে তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি বন ও পরিবেশ দপ্তরকেও বৃহস্পতিবার নিশানা করেছেন তিনি। দলত্যাগ করার আগে পরিবেশ ও বন দপ্তরের মন্ত্রী ছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২০-র আগে সেচমন্ত্রীও ছিলেন। রাজীবকে বনমন্ত্রী করার সময় শুভেন্দু অধিকারীকে সেচমন্ত্রী করা হয়। দু’জনেই এখন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে। তদন্তের কথা বলে যে মমতা নাম না করে দুই দলত্যাগীকে বিঁধেছেড়, সেটা এক রকম স্পষ্ট।

ঘূর্ণিঝড়ের জেরে ভালোই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ কিছু জেলার। বিপর্যস্ত ওই সব এলাকার বাসিন্দাদের দুয়ারে সরকার ত্রাণ পৌঁছে দেবে বলেও এদিন জানান মুখ্যমন্ত্রী। এ জন্য ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
এ দিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঝড়ে রাজ্যে ১৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। আগামী ৩ জুন ‘দুয়ারে ত্রাণ’ প্রকল্প শুরু হবে। চলবে ১৮ জুন পর্যন্ত।’

প্রতিটি গ্রামে ক্যাম্প করবে সরকার। সাধারণ মানুষ সেখানে ক্ষতিপূরণের আবেদন জানাতে পারবেন।  আবেদন খতিয়ে দেখে ১ জুলাই থেকে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ক্ষতিপূরণের টাকা পৌঁছে যাবে।
অন্যদিকে, বাঁধ ভাঙা প্রসঙ্গে মমতার প্রশ্ন, ‘সব বাঁধ ভাঙে কী করে? বিদ্যাধরী নদীর বাঁধগুলো সমস্তটাই ভেঙে গিয়েছে। আমফানের পরেও টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে কি সব টাকাই জলে যাচ্ছে? এ নিয়ে তদন্ত হবে।’ কোটি কোটি টাকা খরচ করে যে ম্যানগ্রোভ লাগানোর কথা ছিল, তারই বা কী হলো, সে প্রশ্নও তুলেছেন মমতা।
ইয়াসে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় অনেক গ্রামেই জল ঢুকে ভিটেমাটি ছাড়া হয়েছেন মানুষ। অনেককে ত্রাণ শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top