জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ নেই দেশের মানচিত্রে! নতুন বিতর্ক বাধিয়ে পোস্ট সরাল টুইটার

Twitter-takes-down-wrong-map-of-India.jpg

বিতর্কিত এই ম্যাপই দেখা গিয়েছিল টুইটারে

Onlooker desk: কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে টুইটারের বিরোধ আর থামছে না।
এ বার ভারতের ভুল মানচিত্রের পোস্ট ঘিরে বিতর্ক। ওই মানচিত্রে জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখকে পৃথক দেশ হিসাবে দেখানো হয়।
জানা যায়, এ ব্যাপারে কড়া ব্যবস্থা নিতে পারে সরকার। প্রবল বিতর্কের মুখে শেষ পর্যন্ত ওই মানচিত্র ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নেয় টুইটার।
‘টুইপ লাইফ’ অংশে ওই মানচিত্র দেখা যায়। কিন্তু লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের অংশ হিসাবে না-দেখানোয় বাধে বিতর্ক। এক টুইটার ব্যবহারকারী মানচিত্রটিকে ‘ফ্ল্যাগ’ করেন। তার পরে সমালোচনায় সরব হন অনেকে।
কখনও বিজেপি নেতাদের পোস্টকে ‘ম্যানিপুলেটেড মিডিয়া’ বলা। কখনও সোশ্যাল মিডিয়া সাইট বিষয়ক নতুন নিয়ম। নানা বিষয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে টুইটারের দ্বৈরথ চলছে। নতুন নিয়মে ভারত-কেন্দ্রিক কমপ্লায়েন্স অফিসার নিয়োগে বাক্-স্বাধীনতা খর্ব হতে পারে। এমন আশঙ্কা জানিয়েছিল টুইটার।
নিয়ম মানতে দেরি করায় ব্যবহারকারীর পোস্টের জন্য আইনি রক্ষাকবচ হারায় টুইটার। গত ৩১ মে তারা দিল্লি হাইকোর্টকে তারা ধর্মেন্দ্র চতুরকে ইন্টেরিম গ্রিভ্যান্স রিড্রেসাল অফিসার হিসাবে নিয়োগ করছে।
টুইটারের প্রতিনিধিত্ব করে, এমন একটি ল ফার্মের পার্টনার ধর্মেন্দ্র। কিন্তু সরকার জানায়, বিধিবদ্ধ কোনও পোস্টে বাইরের কাউকে নিয়োগ করা যাবে না।
দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রবিবারই ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র। এ বার জেরেমি কেসেলকে ওই দায়িত্ব দিয়েছে টুইটার। তিনি আমেরিকায় মাইক্রো ব্লগিং সাইটটির গ্লোবাল লিগ্যাল পলিসি ডিরেক্টর। কিন্তু কেন্দ্রের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ভারতীয়কেই গ্রিভ্যান্স অফিসার করতে হবে।
সম্প্রতি কংগ্রেসের টুলকিট নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। এ প্রসঙ্গে বিজেপির কয়েকজন নেতার টুইটকে ‘ম্যানিপুলেটেড মিডিয়া’ বলে ট্যাগ করে টুইটার। সেই ট্যাগ সরানোর কথা বলে সরকার। কিন্তু টুইটার তাতে সম্মত ছিল না। তার প্রেক্ষিতে নোটিশ ধরায় দিল্লি পুলিশ। দিল্লি ও গুরুগ্রামে টুইটারের অফিসে যায়। বেঙ্গালুরুতে টুইটার ইন্ডিয়ার প্রধান মণীশ মাহেশ্বরীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে।
সম্প্রতি আবার মাহেশ্বরীকে গ্রেপ্তারির উদ্যোগ নেয় গাজিয়াবাদের পুলিশ। এক মুসলিম বৃদ্ধকে হেনস্থার ভিডিয়ো ও সে সংক্রান্ত কিছু টুইট না-সরানোর অভিযোগে।
গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের টুইটার অ্যাকাউন্ট সাময়িক ভাবে লক করা হয়। কপিরাইট লঙ্ঘন নিয়ে এই গোলমাল। অভিযোগ, টেলিভিশন বিতর্কের ক্লিপ শেয়ার করে তিনি কপিরাইট আইন ভেঙেছেন। সে কারণে ঘণ্টাখানেকেরও বেশি সময় অ্যাকাউন্টে অ্যাক্সেস ছিল না তাঁর।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top