সুপ্রিম কোর্টে পেগ্যাসাস নিয়ে আবেদনের শুনানি হতে পারে পরের সপ্তাহে

Supreme-Court-of-India.jpg

সুপ্রিম কোর্ট

Onlooker desk: আগামী সপ্তাহে পেগ্যাসাস (Pegasus) বিতর্ক নিয়ে বিশেষ তদন্তের আবেদনের শুনানি করতে পারে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court of India)। সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানা আজ, শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন।
ইজরায়েলি সংস্থা এনএসও গোষ্ঠীর তৈরি সফ্টওয়্যার পেগ্যাসাসের (Pegasus) মাধ্যমে আড়ি পাতার টার্গেট তালিকায় রয়েছেন সাংবাদিক, বিরোধী নেতা থেকে শুরু করে দেশের দু’জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও।
প্রবীণ সাংবাদিক এন রাম এবং শশী কুমার এই বিতর্কে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠনের আবেদন জানিয়েছেন। কোনও বিচারপতির নেতৃত্বে এই তদন্ত করার আর্জি এন রাম এবং শশী কুমারের। তাঁদের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court of India) মামলাটি লড়ছেন আইনজীবী কপিল সিবাল।
স্বাধীনতার উপরে এই অভিযোগের ব্যাপক প্রভাব, এই যুক্তিতে প্রধান বিচারপতিকে মামলাটি তালিকায় রাখতে আবেদন জানান সিবাল। সাংবাদিক, বিরোধী নেতা, মন্ত্রী থেকে বিচারপতিরা — টার্গেট তালিকায় সকলেই রয়েছেন বলে প্রধান বিচারপতিকে সিবাল জানিয়েছেন।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমরা পরের সপ্তাহে এই মামলা তালিকাভুক্ত করব। কাজের চাপের উপরে সেটা নির্ভর করবে।’
আবেদনে জানানো হয়েছে, বেশ ক’টি প্রথম সারির প্রকাশনা-সহ একটি গ্লোবাল মিডিয়া তদন্তে জানা গিয়েছে, ভারতের ১৪২ জন পেগ্যাসাসের (Pegasus) টার্গেট লিস্টে রয়েছেন। অথচ এই সফ্টওয়্যার কেবল সরকারের কাছেই বিক্রি করে ইজরায়েলি সংস্থাটি।
সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court of India) এন রাম এবং শশী কুমারের আবেদন, সরকারকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানোর নির্দেশ দিক সর্বোচ্চ আদালত। সরকারের কাছে স্পাইওয়্যারের লাইসেন্স আছে, নাকি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে নজরদারির জন্য তারা পেগ্যাসাস(Pegasus) সফ্টওয়্যার ব্যবহার করেছে, সে কথা জানাক। স্বাধীনতা ও গোপনীয়তার অধিকার এতে লঙ্ঘিত হচ্ছে বলেও আবেদনে জানানো হয়েছে।
আবেদনকারীদের বক্তব্য, টার্গেট লিস্টে থাকা বেশ ক’জনের মোবাইল ফোনের ফরেন্সিক তদন্ত করে দেখা গিয়েছে, সেগুলির নিরাপত্তা লঙ্ঘিত হয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সিকিউরিটি ল্যাব এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে তদন্তকারীদের দাবি।
দ্য ওয়্যার-সহ বেশ কিছু মিডিয়া হাউজ জানিয়েছে, এনএসও-র লিকড ডেটাবেসে সম্ভাব্য টার্গেট হিসাবে ৩০০টি ফোন নম্বর রয়েছে। তবে সবক’টি ফোনই হ্যাক করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
এনএসও গোষ্ঠী অবশ্য বারবারই জানিয়েছে, আড়ি পাতার সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই। তারা কেবল সরকারকে পেগ্যাসাস (Pegasus) সফ্টওয়্যার বিক্রি করে। কোনও ডেটাবেস তারা লিক করেনি। কেন্দ্রীয় সরকারও জানিয়েছে, এই রিপোর্টের কোনও ভিত্তি নেই।
এ বিষয়ে আগেও দু’টি আবেদন দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court of India)। একটি করেছেন সিপিএম সাংসদ জন ব্রিট্টাস, অন্যটি আইনজীবী এম এল শর্মা।

Theonlooker24x7.com সব খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক করুন ফেসবুক পেজ  ফলো করুন টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top