লক্ষ্য তৃতীয় ঢেউয়ের প্রস্তুতি, কোভিড নিয়ে শ্বেতপত্র রাহুলের

Rahul-publishes-white-paper.jpg

Onlooker desk: কোভিড-১৯ নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তবে এ বার আর সরকারের বিরুদ্ধে আঙুল তোলার জন্য নয়। বরং সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউয়ের জন্য দেশকে প্রস্তুত করাই তাঁর লক্ষ্য বলে রাহুল জানান। তিনি বলেন, ‘তৃতীয় ঢেউ যে আসবে, সেটা পুরো দেশ জানে।’
আজ, মঙ্গলবার সকালে ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠক করেন রাহুল (Rahul Gandhi)। বলেন, ‘কোভিডের প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় যে বিপর্যয় হয়েছে, সেটা স্পষ্ট। আমরা তার সম্ভাব্য কারণ জানানোর চেষ্টা করেছি। তা ছাড়া ভাইরাস যে ভাবে মিউটেট করছে তাতে আরও ঢেউ আসতে পারে।
শ্বেতপত্রের মাধ্যমে আগামীর পথ দেখানোর চেষ্টা করেছেন রাহুল (Rahul Gandhi)। বলেন, ‘আমরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। চারটি স্তম্ভ তৈরি করেছি।’ এই চার স্তম্ভের মধ্যে সবচেয়ে জরুরি হলো টিকাকরণ। কাল, সোমবার দেশে বিনামূল্যে টিকাকরণ শুরু হয়েছে। ৮০ লক্ষেরও বেশি মানুষ টিকা পেয়েছেন। সেই উদ্যোগের প্রশংসা করেন রাহুল। তবে এটা একদিন করলে চলবে না। চালিয়ে যেতে হবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। যতদিন না পুরো দেশ টিকা পাচ্ছে, ততদিন চালাতে হবে টিকাকরণের প্রক্রিয়া।
মঙ্গলবার গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন সংক্রমণ ৪২ হাজার ৬৪০। গত ৯১ দিনের মধ্যে সবচেয়ে কম। মৃত্যুও আগের তুলনায় অনেকটা কমে হয়েছে ১,১৬৭। পজিটিভিটির হার কমে হয়েছে ০.১৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত দেশে মোট করোনা আক্রান্ত পৌঁছেছে প্রায় তিন কোটির কাছে। মোট মৃত্যু ৩ লক্ষ ৮৯ হাজার ৩০২। এখন দেশে দিনে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের হদিস কেরালায়। মঙ্গলবার কেরালায় নতুন করে ৭,৪৪৯ জন কোভিডে সংক্রামিত হয়েছেন।
এ দিকে সোমবারই নতুন ভ্যাকসিন (Vaccine) নীতি চালু হয়েছে। ৮০ লক্ষেরও বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। গত ১৬ জানুয়ারি টিকাকরণ শুরুর পর যা এ পর্যন্ত রেকর্ড। সরকারের নতুন টিকা নীতি অনুযায়ী, ৭৫ শতাংশ টিকাই কিনবে কেন্দ্র। তা বিলি করা হবে রাজ্যগুলির মধ্যে। সমস্ত সরকারি কেন্দ্র থেকে এই টিকা বিনামূল্যে দেওয়া হবে। বাকি ২৫ শতাংশ কিনবে বেসরকারি হাসপাতালগুলি। তারা নির্দিষ্ট মূল্যে ভ্যাকসিন (Vaccine) দিতে পারবে।
সরকারি সূত্রের দাবি, প্রথমত রাজ্যগুলিকে টিকার বাড়তি জোগান। দ্বিতীয়ত বিনামূল্যে টিকা। দু’য়ের কারণে সোমবার এত বেশি সংখ্যক ভ্যাকসিন দেওয়া গিয়েছে।
তবে এর মধ্যে চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেল্টা প্লাস স্ট্রেন। এই স্ট্রেন যে বেশি ছোঁয়াচে, সে কথা জানিয়েছেন এইমস-এর প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া। তবে এখনও দেশে সে ভাবে তার দাপাদাপি দেখা যাচ্ছে না। মহারাষ্ট্রে ২১ জনের শরীরে তার হদিস মিলেছে। যদিও তা মে থেকে এ পর্যন্ত পজিটিভ রোগীর ১ শতাংশও নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top