গ্যাংটক-দার্জিলিঙে রবি-সন্ধ্যায় ভূমিকম্প, ছড়াল আতঙ্ক

Polish_20210726_004312313-1.jpg

কলকাতা: রবিবার সন্ধের পর, রাত সাড়ে আটটা নাগাদ একের পর এক ভূমিকম্প (earthquake)। কেঁপে উঠল উত্তর-পূর্ব ভারতের একাংশ। দার্জিলিং ও সিকিমের (Sikkim) গ্যাংটকে এই কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪। তবে রাত পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। কারও জখম হওয়ার খবরও নেই।
ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি টুইটে ভূকম্পনের (earthquake) খবর জানায়। লেখা হয় — রিখটার স্কেলে ৪ মাত্রার ভূমিকম্প (earthquake) হয় রবিবার রাত ৮টা ৩৯ মিনিট ২২ সেকেন্ডে। সিকিমের (Sikkim) গ্যাংটক থেকে ১১ কিলোমিটার পশ্চিমে ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্র। আচমকা কম্পনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা। প্রায় ৫ সেকেন্ড ধরে কম্পন অনুভূত হয় বলে খবর। গত ১৯ জুলাই-ও মৃদু ভূমিকম্প (earthquake) অনুভূত হয় সিকিমে (Sikkim)। সে বার কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.২। গ্যাংটকের ৬ কিলোমিটার উত্তরে সেই কম্পন অনুভূত হয়।
এমনিতে বর্ষাকালে পাহাড়ি এলাকার মাটি আলগা হয়ে হামেশাই ধস নামে। এ বার ভূমিকম্পে (earthquake) আতঙ্ক বাড়ল। মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে শিলিগুড়িতেও। তবে জলপাইগুড়ি, মালদহ, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে কম্পন বোঝা যায়নি বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।
করোনার বিধিনিষেধ কিছুটা আলগা হওয়ায় ধীরে ধীরে বাড়ছে পর্যটক। অনেকেই বর্ষায় পাহাড়ের শোভা দেখতে গিয়েছেন। তার মধ্যে আচমকা কম্পনে রীতিমতো আতঙ্কিত তাঁরা। কালিম্পং, কার্শিয়াং-এও এর প্রভাব পড়েছে বলে খবর। সন্ধ্যার কম্পনে তেমন ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি ঠিকই। কিন্তু রাতে আফটারশক অনুভূত হবে কি না, তা নিয়ে বেড়েছে দুশ্চিন্তা।
গত ৭ জুলাই-ও কম্পন (earthquake) অনুভূত হয় উত্তরবঙ্গে। সে বার কেন্দ্র ছিল অসমের গোয়ালপাড়া। সেই কম্পনের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৫.২। অসম এবং মেঘালয়ের পাশাপাশি কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে কম্পন অনুভূত হয় সে দিন।
প্রসঙ্গত, রবিবারই হিমাচল প্রদেশে ধসে প্রাণ হারান ৯ জন পর্যটক। ভয়াবহ ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। দেখা যায়, পাহাড়ের উপর থেকে তীব্র গতিতে নেমে আসছে বোল্ডার। একটি টেম্পো ট্র্যাভেলারে এসে পড়ে বিশালাকার পাথর। গাড়িটি যাচ্ছিল হিমাচল প্রদেশের জনপ্রিয় পর্যটনস্থল চিটকুলে। ১১ জন যাত্রী ছিলেন। ঘটনায় তিন জন আহত হন।
পাশাপাশি দেখা যায়, বসপা নদীতে এসে পড়ল একটি বোল্ডার। তারপরে তার প্রভাবে ভেঙে পড়ে আস্ত একটি ব্রিজ।
তার পরেই ভূমিকম্প (earthquake) দার্জিলিং, গ্যাংটকে। এক হোটেল মালিক বলেন, ‘ক্ষয়ক্ষতি তেমন হয়নি। তবে পর্যটকরা বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।’

Theonlooker24x7.com সব খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক করুন ফেসবুক পেজ  ফলো করুন টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top