টিকায় গাফিলতি হলে ‘গণহত্যা’য় অভিযুক্ত করা উচিত: দিল্লি হাইকোর্ট

delhi-high-court.jpg

Onlooker desk: সম্ভাব্য সব উপায়ে দেশবাসীর টিকাকরণে যে অফিসাররা উদ্যোগী হচ্ছেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’র অভিযোগ আনা উচিত বলে মন্তব্য করল দিল্লি হাইকোর্ট। আদালতের মতে, মানুষের কাছে টিকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য এখনও বহু উপায় রয়েছে যেগুলো অবলম্বন করা হচ্ছে না। টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে আশ্বস্ত করে তাদের ভয় দূর করার উপরে জোর দিয়ে কোর্টের পর্যবেক্ষণ — এই সম্ভাবনা বিদেশি টিকা সংস্থাগুলি যেন ব্যবহার করতে না পারে।
বিচারপতি মনমোগন ও বিচারপতি নাজমি ওয়াজিরির বেঞ্চ বলে — আসলে একটা ভয় কাজ করছে। এই বুঝি কোনও তদন্ত হলো, এডিট হলো, পুলিশ এল। তাদের বলুন যে এখন এ সবের সময় নয়। মানুষ মারা যাচ্ছে। আর কিছু অফিসার সম্ভাব্য উপায়গুলি ব্যবহার না করে বসে আছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনা উচিত।
স্পুটনিক ভি টিকা উৎপাদনের জন্য রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে প্যানাসিয়া বায়োটেক। তাদের নমুনা পরীক্ষা করে ছাড়পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছে কোর্ট। এ প্রসঙ্গে দু’টি বিদেশি টিকার ভারতীয় ট্রায়াল ছাড়াই প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্ট। বিদেশি টিকার ক্ষেত্রে ছাত্র আর দেশি টিকায় ট্রায়াল বাধ্যতামূলক করার কীরণ কী, তা জানতে চায় আদালত।
কেন্দ্রের তরফের আইনজীবী, অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল বলবীর সিং জানান, প্যানাসিয়ার আবেদনেই এখনও ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। তাই শীঘ্র তাদের টিকা উৎপাদনের প্রশ্ন নেই। প্যানাসিয়ার দায়ের করা একটি মামলারই শুনানি চলছিল হাইকোর্টে। আপৎকালীর পরিস্থিতিতে অবিলম্বে টিকার জোগান বাড়ানোয় জোর দেয় আদালত।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top