মুখ্যমন্ত্রীদের এড়িয়ে জেলাশাসকদের সরাসরি বৈঠকে ডাক মোদীর, বিতর্ক

pm-modi.jpg

Onlooker desk: রাজীব গান্ধী থেকে নরেন্দ্র মোদী, ‘পিএম টু ডিএম, মাইনাস সিএম’ কৌশল নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি। আরও একবার সেই পথে হেঁটে কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে অন্ধকারে রেখে জেলাশাসকদের সরাসরি বৈঠকে ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে ডাকা তো দূর, এমনকী কোন অফিসারদের ডাকা হচ্ছে, সে ব্যাপারেও মুখ্যমন্ত্রীরা অবহিত ছিলেন না। মোদীর এমন পদক্ষেপ ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক স্তরে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
এ ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতার সঙ্গে কাজেও সমস্যা হতে পারে। কারণ অফিসাররা প্রধানমন্ত্রী না মুখ্যমন্ত্রী, কার নির্দেশ মানবেন, সে ব্যাপারে সংশয়ের যথেষ্ট অবকাশ থাকছে। এতে কাজের উদ্দেশ্যই ব্যাহত হতে পারে।
আগামী ২০ মে বেলা ১১টায় বৈঠকটি ডেকেছেন মোদী। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১০ রাজ্যের (অন্য ন’টি রাজ্য হল মহারাষ্ট্র, কেরালা, হরিয়ানা, ছত্তিসগড়, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, ওড়িশা, পুদুচেরি) মুখ্যসচিবদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর ও হুগলির জেলাশাসকদের বৈঠকে থাকতে বলা হয়েছে। জেলাশাসক ছাড়াও মুখ্যসচিব-সহ কোভিড ব্যবস্থাপনায় যুক্ত অফিসারদের থাকতে বলা হয়েছে।
নবান্ন সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এতে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেলাশাসকদের এই ধরনের বৈঠক রীতিবিরুদ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত প্রতিবাদ জানানোর কথা ভাবছেন তিনি।
বিশেষজ্ঞরা অবশ্য মনে করছেন, এই ধরনের বৈঠককে নিয়মবিরুদ্ধ বলা যায় না। কিন্তু সমস্যা হলো, এতে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। আমলাদেরও কাজের ক্ষেত্রে অযথা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই বৈঠক ঘিরে পারদ চড়ছে রাজনৈতিক স্তরেও।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top