লাগামছাড়া দাম বৃদ্ধি ভোজ্যতেলের, ১০ বছরে সর্বোচ্চ

Mustard-Oil.jpg

অগ্নিমূল্য ভোজ্যতেলের দাম

Onlooker desk: গত এক দশকের মধ্যে এ মাসে সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছল প্যাকেটবন্দি ভোজ্যতেলের দাম। সরকারি তথ্য অনুযায়ীই দেখা যাচ্ছে, বাদাম, সর্ষে, বনস্পতি, সয়াবিন, সানফ্লাওয়ার থেকে পাম তেল — বেড়েছে সবকিছুর দাম। পরিস্থিতি এমনই উদ্বেগজনক জায়গায় পৌঁছেছে যে সোমবার একটি বৈঠক করে ডিপার্টমেন্ট অফ ফুড অ্যান্ড পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন। রাজ্যগুলিকে দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেও? তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একটি বিবৃতি জারি করে ওই বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, বৈঠকটি ডাকা জরুরি হয়ে পড়েছিল কারণ আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় বেশি হারে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে দেশে। ভারতের মোট চাহিদার ৬০ শতাংশই আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। তা হলে সেই সামগ্রীর দাম আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় বেশি হারে কেন বাড়ছে, সেটা ভাবাচ্ছে সরকারকেও।
কেন্দ্রীয় উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে ২০১০-এর জানুয়ারির পর দেশে ভোজ্যতেলের দাম এত বাড়েনি।
গত বছর মে মাসে যখন সর্ষের তেলের পাইকারি দর ছিল কেজিতে ১১৮ টাকা ২৫ পয়সা, সে জায়গায় এখন তার দাম দাঁড়িয়েছে ১৬৪ টাটা ৪৪ পয়সায়।
পাম তেলের দাম আরও বেশি হারে বেড়েছে। গত বছর মে মাসে কেজি প্রতি এর দাম ছিল, ৮৮ টাকা ২৭ পয়সা। সেখান থেকে ৪৯ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১৩১ টাকা ৬৯ পয়সা। বাকি তেলগুলির দাম গত বছরের তুলনায় ১৯ থেকে ৫২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
একদিকে করোনা, লকডাউন। তার মধ্যে খাদ্যসামগ্রীর দাম এমনিতেই বেশ চড়া। তেলের মতো অত্যাবশ্যক পণ্যের দামও যদি এ রকম অনিয়ন্ত্রিত হারে বাড়ে তা হলে আমজনতার কী করে চলবে, সে প্রশ্ন উঠছে সঙ্গত ভাবেই। তার উপরে করোনার জেরে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। এখন সরকারের দিকেই তাকিয়ে ‘স্টুপিড কমন ম্যান’। দাম কমাতে যদি তারা কোনও ব্যবস্থা করে, সেটুকুই ভরসা দেশবাসীর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top