দেশ-রাজ্যে সংক্রমণের চিত্রে স্বস্তি, কোভিডে অনাথ শিশুদের পাশে কেন্দ্র

LOCKDOWN-KOLKATA22.jpg

বিধিনিষেধ জারিতেই মিলছে সুফল — নিজস্ব চিত্র

Onlooker desk: পরপর তিন দিন দেশে দৈনিক সংক্রমণ দু’লক্ষের নীচে। রবিবার গত ২৪ ঘণ্টায় তা আরও স্বস্তিদায়ক বার্তা বয়ে আনল। এ দিন দেশে সংক্রামিত ১ লক্ষ ৬৫ হাজার। পজিটিভিটির হারও ১০ শতাংশের নীচে। তবে মৃত্যু প্রায় সাড়ে তিন হাজারের কাছাকাছি — ৩,৪৬০।
পশ্চিমবঙ্গেও পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটা স্বস্তির। শনিবার একদিনে ১১ হাজার ৫১৪ নতুন সংক্রমণের হদিস মিলেছে। গত ১৫ মে এটাই ছিল ১৯ হাজার ৫১১। কলকাতায় ওই একই সময়ে দৈনিক সংক্রমণ ৩ হাজার ৯৫১ থেকে কমে ১৭৩৫-এর পৌঁছেছে শনিবার। ওইদিন নবান্নে এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাজ্যের পজিটিভিটি রেট ৩৩ শতাংশ থেকে কমে ১৮ থেকে ১৯ শতাংশে পৌঁছেছে।
এবং এ সবের মধ্যে কোভিড বেডে ভর্তির সংখ্যাও গত দু’সপ্তাহের কড়াকড়ির জেরে কমেছে। আইসিইউ বা এইচডিইউ-এর তুলনায় জেনারেল ওয়ার্ডে ফাঁকা বেডের সংখ্যা বেশি। এমনকী, কলকাতার দু’টি বেসরকারি হাসপাতাল জানিয়েছে, তাদের আইসিইউ শয্যাও খালি রয়েছে। কোভিড-শয্যার জন্য হাহাকার, বেড আছে কি না জানতে চেয়ে ফোন, লম্বা ওয়েটিং লিস্ট — সবই আগের চেয়ে অনেকটা কম। এত দ্রুত কোভিড সংক্রমণ কমেছে যে কিছু হাসপাতাল আগামী সপ্তাহেই কিছু কোভিড ওয়ার্ডকে অ-করোনা চিকিৎসার জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শনিবার সন্ধ্যায় এক টুইটে জানান, কোভিডে মা-বাবাকে হারানো শিশুদের সবরকম সহযোগিতা করবে সরকার। বিনামূল্যে তাদের পড়াশোনার ব্যবস্থা থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য লোন — সব কিছুরই ব্যবস্থা করা হবে। তাদের ভাতার কথাও জানিয়েছেন মোদী।
এর মধ্যে বিধিনিষেধ বাড়িয়েছে দিল্লি ও কেরালা। দিল্লিতে ম্যানুফ্যাকচারিং ও নির্মাণশিল্পকে শর্তসাপেক্ষে ছাড় দেওয়া হয়েছে। করোনার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ রেমডেসিভিরের উৎপাদন ১০ গুণ বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। এ পর্যন্ত ২১ কোটি মানুষের টিকাকরণ হয়েছে। এ পছরের মধ্যে গোটা দেশের টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে কেন্দ্র। দিল্লি এইমসের প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন, জুলাইয়ের মধ্যে আরও ১ কোটি মানুষের টিকাকরণের লক্ষ্য রয়েছে কেন্দ্রের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top