ডিএলএফ ঘুষ-মামলায় লালুকে ক্লিন চিট সিবিআইয়ের

laluprasad-yadav.jpg

Onlooker desk: লালুপ্রসাদ যাদবকে একটি ঘুষের মামলায় ক্লিন চিট দিল সিবিআই। তিন বছর জেলে কাটিয়ে এপ্রিলে জামিনে মুক্ত হয়েছেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী তথা রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা লালুপ্রসাদ।
রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার ডিএলএফ গ্রুপের সঙ্গে জড়িত হয়ে একটি দুর্নীতি মামলায় বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুর বিরুদ্ধে ২০১৮-র জানুয়ারিতে তদন্ত শুরু করে সিবিআইয়ের ইকনমিক অফেন্স উইং। অভিযোগ ছিল, মুম্বই ও দিল্লিতে রেলের প্রকল্পের বরাত পেতে দক্ষিণ দিল্লির মতো অভিজাত এলাকায় লালুকে একটি বাড়ি দিয়েছে ওই সংস্থা। এবি এক্সপোর্টস নামে একটি ভুয়ো সংস্থা রাজধানীর নিউ ফ্রেন্ডস কলোনিতে ২০০৭-এর ডিসেম্বরে প্রায় ৫ কোটি টাকা দিয়ে একটি সম্পত্তি কেনে বলে অভিযোগ। অথচ সেই সময়ে বাড়িটির মূল্য ছিল ৩০ কোটি টাকা। এই টাকা ডিএলএফ হোম ডেভেলপার্সের তরফে এলেও কয়েকটি ভুয়ো সংস্থাকে সামনে রেখে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ২০১১-য় লালুর ছেলে তেজস্বী যাদব এবং দুই মেয়ে চন্দা যাদব ও রাগিনী লালু এবি এক্সপোর্টস নামে ওই ভুয়ো সংস্থা মাত্র ৪ লক্ষ টাকায় কিনে সম্পত্তির মালিক হয়ে যান যান বলে অভিযোগ ওঠে। ডিএলএফ গ্রুপ এবং লালুর মধ্যে এই লেনদেনে প্রবীণ জৈন ও অমিত কাটিয়াল নামে দুই ব্যক্তি মধ্যস্থতা করেন বলেও দাবি ছিল সিবিআইয়ের।
সংবাদমাধ্যমে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি জানিয়েছে, দু’বছর তদন্ত চালিয়েও অভিযোগগুলির সারবত্তা প্রমাণিত হয়নি। কিছু না পেয়ে শেষেমামলাটিকে সাধারণ এইআইআরে পরিণত করতে চেয়েছিলেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা। কিন্তু প্রাক্তন অধিকর্তা আর কে শুক্লা-সহ সিনিয়র সুপারভাইজিং অফিসাররা প্রমাণের অভাবে মামলাটি বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। আয়কর দপ্তরও এই মামলায় পৃথক তদন্ত শুরু করেছিল।
গত মাসে লালুকে বিহার গোখাদ্য মামলায় জামিনে মুক্তি দিয়েছে ঝাড়খণ্ডের হাইকোর্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top