গাজিয়াবাদ কাণ্ডে এ বার অভিযুক্ত অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর, টুইটার ইন্ডিয়ার প্রধানও

Swara-Bhaskar.jpg

Onlooker desk: গাজিয়াবাদের বৃদ্ধ নিগ্রহের ঘটনায় অভিযোগ থামছেই না। এ বার ‘ইন্ধনমূলক’ টুইটের জেরে অভিযোগ হলো অভিনেত্রী স্বরা ভাস্করের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আরও তিন। তাঁদের মধ্যে একজন টুইটার (Twitter) ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর। দিল্লিতে এক আইনজীবী এই অভিযোগ জানিয়েছেন। পুলিশ অবশ্য এখনও এফআইআর দায়ের করেনি।
এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই টুইটারের পাশাপাশি বেশ ক’জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে গাজিয়াবাদে। ওই বৃদ্ধের অভিযোগ টুইটে শেয়ার করে ধর্মীয় ভেদাভেদে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। এমনটাই দাবি পুলিশের।
এ বার দিল্লি পুলিশে একই রকম অভিযোগ দায়ের হলো। সেখানে অভিযোগ স্বরা, আরফা খানুম এবং আসিফ খান নামে তিনজনের বিরুদ্ধে। তাঁরা ওই অভিযোগ শেয়ার করে ঘৃণা ছড়াতে চাইছেন বলে অভিযোগ। আর ভারতে টুইটারের (Twitter) প্রধান মণীশ মাহেশ্বরী ‘মিথ্যা’ টুইট সরাতে উদ্যোগী হননি। অথচ এই ঘটনা যে ধর্মীয় ভেদাভেদের কারণে নয়, তা তিনি জানতেন বলে দাবি।
গাজিয়াবাদেও ‘মিথ্যা’ টুইট না সরানোর অভিযোগ ওঠে টুইটারের (Twitter) বিরুদ্ধে। তাদের বিরুদ্ধে দাঙ্গায় ইন্ধন, শত্রুতা তৈরি ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।
কী হয়েছিল গাজিয়াবাদে? সুফি আব্দুল সামাদ নামে এক মুসলিম বৃদ্ধের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক। তিনি জানান, অটোয় তুলে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ব্যাপক মারধর করা হয়। জোর করে দাড়ি কেটে নেয় একদল তরুণ। বন্দেমাতরম ও জয় শ্রীরাম বলতে বাধ্য করা হয়। সামাদের অভিযোগ, মুসলিমদের সঙ্গে তারা এমনই করে থাকে বলে জানায় তরুণরা।
কিন্তু উত্তর প্রদেশ পুলিশের দাবি, অভিযোগ ঠিক নয়। এই ঘটনায় কোনও ধর্মীয় রং নেই। ভুয়ো তাবিজ বিক্রির অভিযোগ সামাদের বিরুদ্ধে। সেই রাগেই হিন্দু-মুসলিম তরুণরা মিলে তাঁকে মারধর করে।
দেশের নতুন তথ্যপ্রযুক্তি আইন মানেনি টুইটার (Twitter)। সে কারণে তারা আইনি রক্ষাকবচ হারিয়েছে বলে সরকার জানায়।
অন্যদিকে, কংগ্রেস টুলকিট কাণ্ডেও টুইটারকে (Twitter) জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে খবর। গত ৩১ মে এই ঘটনা ঘটে। দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেলের প্রশ্নের মুখে পড়েন মণীশ। বেঙ্গালুরুতে ওই জিজ্ঞাসাবাদ হয়।
কংগ্রেস টুলকিট প্রসঙ্গে টুইট করেছিলেন বিজেপি নেতা সম্বিৎ পাত্র। তাকে ‘ম্যানিপুলেটেড মিডিয়া’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। এ নিয়ে টুইটারকে (Twitter) দু’টি নোটিস পাঠানো হয়। সেই সূত্রে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের দিল্লি ও গুরুগ্রাম অফিসে যায় পুলিশ। তার সপ্তাহখানেক বাদেই জিজ্ঞাসাবাদের মুখ্য পড়েন মণীশ। পুলিশের বক্তব্য, টুইটারকে তৃতীয় নোটিস দিতে যাওয়া হয়েছিল। কারণ আগের নোটিসগুলির প্রেক্ষিতে মণীশের জবাব ছিল অস্পষ্ট।
অন্যদিকে, কংগ্রেস ওই টুলকিটকে ভুয়ো বলে দাবি করে। বিজেপির যে নেতারা তা টুইট করেছিলেন, তাদের নামে এফআইআর দায়ের করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top