মমতার দিল্লি সফরের আগে অভিষেকের ছবি দেওয়া পোস্টার টুইট কংগ্রেসের

Polish_20210725_183050081.jpg

Onlooker desk: কাল, সোমবার দিল্লি যাওয়ার কথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার আগের দিনই বিজেপিকে বিঁধতে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek) ছবি-সহ পোস্টার (poster) টুইট করল কংগ্রেস (Congress)। পেগ্যাসাস আড়ি পাতা-কাণ্ড নিয়ে বিজেপিকে নিশানায় অভিষেকের (Abhishek) প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়েছে। এতে স্বাভাবিক ভাবেই রাজনৈতিক শিবিরে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
তৃণমূলও চুপ করে বসে থাকেনি। তারা ওই টুইটের জবাব দিয়েছে। সঙ্গে এ বারের নির্বাচনের হিট স্লোগান ‘খেলা হবে’র কথাও লেখা হয়েছে। এই স্লোগান দিয়েই এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে বহু মানুষের মন জয় করেছে তৃণমূল। বিজেপি এই স্লোগানকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ব্যবহারের চেষ্টা করলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি।
সোমবার থেকে দিন পাঁচেকের জন্য দিল্লি যাচ্ছেন মমতা। সেখানে বেশ ক’জন বিরোধী নেতা-নেত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার কথা তাঁর। তার মধ্যে সনিয়া গান্ধীও আছেন। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনী লড়াইয়ের রূপরেখা তৈরির কথা হতে পারে সেখানে।
তার আগে অভিষেকের ছবি দিয়ে কী লিখেছে কংগ্রেস?
সবুজ রঙের পোস্টারে প্রথমেই লেখা — আপ ক্রোনোলজি সমঝিয়ে। প্রসঙ্গত, এই সংলাপটি একাধিক বার বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাই তাঁর সঙ্গে এক রকম জুড়ে গিয়েছে এই সংলাপ। এর পাশে অভিষেকের লম্বা ছবি। সঙ্গে লেখা — টার্গেট অফ পেগ্যাসাস স্পাইওয়্যার। কে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় – মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো। কবে? ২০২১। কেন? পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন। এর পরে পোস্টারে লেখা হয়েছে — মোদী সরকারের নিরাপত্তাহীনতার সীমা নেই।
গত রবিবার পেগ্যাসাস-বিতর্ক সামনে আসে। পরে জানা যায়, ফোনে আড়ি পাতার তালিকায় অভিষেক, রাহুল গান্ধী, প্রশান্ত কিশোররাও (পিকে) রয়েছেন। সরকার বারবারই এর সঙ্গে নিজেদের কোনও যোগ থাকার কথা অস্বীকার করেছে। কিন্তু বিরোধীরা সোমবার সংসদের বাদল অধিবেশনের শুরু থেকেই এ নিয়ে সুর চড়িয়েছে সরকার পক্ষের বিরুদ্ধে।
রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সরকারি বিবৃতি পড়ছিলেন। সেই সময় তাঁর হাত থেকে কাগজ ছিনিয়ে ছিঁড়ে দেন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন। এ জন্য শান্তনুকে বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
এ হেন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গেও দেখা করার কথা তাঁর। পাশাপাশি বিজেপি-বিরোধী দলগুলির ঐক্য তৈরিতেও জোর দেওয়া হবে। গত ২১ জুলাই শহিদ দিবসের বক্তৃতায় বিষয়টি উত্থাপন করেন মমতা।
সম্প্রতি এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের বাড়িতে বিরোধী নেতাদের বৈঠকের পর বিরোধী জোটের জল্পনা জোরালো হয়। পাওয়ারের পাশাপাশি রাহুলের বাড়িতে গান্ধীদের সঙ্গে বৈঠক করেন ভোটকুশলী পিকে-ও।

Theonlooker24x7.com সব খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক করুন ফেসবুক পেজ  ফলো করুন টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top