দেড় দশকের দাম্পত্যে ইতি টেনে ডিভোর্সের পথে আমির খান-কিরণ রাও

aamir-khan-kiran-rao.jpg

Onlooker desk: বিবাহবিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করলেন আমির খান ও কিরণ রাও। বিয়ের ১৫ বছর পর। যৌথ বিবৃতি জারি করে তারকা দম্পতি এ কথা জানান। তবে তাঁদের পুত্র আজাদ রাও খানের অভিভাবকত্বে খামতি রাখা হবে না। দু’জনে একত্রে তা পালন করবেন।
পাশাপাশি তাঁদের কাজও চলবে একসঙ্গে। সংস্থা পানি ফাউন্ডেশন ও অন্য যে কাজ তাঁরা একত্রে করতে চান, সবই চলবে একসঙ্গে।
আমির খান ও কিরণ রাওয়ের যৌথ বিবৃতিতে কী বলা হয়েছে? তাঁরা লিখেছেন — ১৫টি সুন্দর বছরে আমরা এক জীবনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছি। সঙ্গে ছিল আনন্দ ও হাসি। আমাদের সম্পর্ক ঘিরে ছিল বিশ্বাস, সম্মান ও ভালোবাসা। এখন আমরা নিজেদের জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চাই। তবে স্বামী-স্ত্রী হিসাবে নয়। অভিভাবক ও পরিবার হিসাবে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আমির ও কিরণ বেশ কিছুদিন ধরে আলাদা। কিন্তু বিচ্ছিন্ন ভাবে থাকলেও পুত্র আজাদকে বাবা-মা হিসাবে একসঙ্গে বড় করবেন।
তাঁরা লিখেছেন — পরিকল্পিত ভাবেই কিছুদিন হলো আমরা আলাদা রয়েছি। এখন এই ব্যবস্থাতেই সরকারি সিলমোহর দিতে চলেছি। তবে বর্ধিত পরিবারের মতো করে আমরা আমাদের জীবন ভাগ করে নেব। সন্তান আজাদের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতায় কোনও খামতি থাকবে না। ওকে আমরা একসঙ্গেই বড় করব।
পাশাপাশি চলবে কাজ। সিনেমার কাজে একসঙ্গে যুক্ত থাকবেন তাঁরা। পানি ফাউন্ডেশন ও অন্য যে কাজে তাঁদের আগ্রহ রয়েছে, সে সবই একসঙ্গে করবেন বলে আমির-কিরণ জানান।
বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তাঁরা। কারণ হিসাবে জানিয়েছেন, এঁরা সব সময় তাঁদের পাশে থেকেছেন। সময়ের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কের পরিবর্তনকে স্বীকৃতিও দিয়েছেন। তাঁদের সমর্থন না থাকলে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন না বলেও আমির ও কিরণের যৌথ বিবৃতিতে লেখা হয়েছে।
শেষ করেছেন ইতিবাচক আশা নিয়ে। তাঁরা লিখেছেন — আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেনচ্ছা চাইছি। আশা করব, আপনারাও আমাদের মতোই এই বিবাহবিচ্ছেদকে কোনও ইতি হিসাবে দেখবেন না। বরং এক নতুন যাত্রার সূচনা হিসাবে দেখবেন।
‘লাগান’ ছবির শুটিংয়ের সময় আমির ও কিরণের প্রথম সাক্ষাৎ। যেখানে মুখ্য চরিত্রে ছিলেন আমির। আর কিরণ একজন সহকারী পরিচলক। ২০০৫-এর ২৮ ডিসেম্বর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দু’জনে।
আমিরের প্রথম স্ত্রী রিনা দত্ত। তাঁদের দুই সন্তান জুনেইদ ও ইরা। ২০১১-র ডিসেম্বরে জন্ম আজাদের। সারোগেসির মাধ্যমে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top