সমালোচনার মুখে রাজ্যের জন্য টিকার দাম কমাল সিরাম

COVISHILD.jpg

onlooker desk: কোভিশিল্ডের মূল্যে তারতম্যের অভিযোগের মুখে রাজ্যগুলির জন্য টিকার দাম কমাল পুনের সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া। প্রতিষ্ঠানের সিইও আদার পুনাওয়ালা বুধবার জানিয়েছেন, রাজ্যগুলি এখন এই টিকা ৪০০-র বদলে ৩০০ টাকায় কিনতে পারবে। সিরামের এই পদক্ষেপ ‘জনকল্যাণকর’ বলে তাঁর দাবি। আদারের কথায়, ‘এতে রাজ্যগুলি কয়েক হাজার কোটি টাকা বাঁচাতে পারবে। যার ফলে আরও বেশি মানুষ টিকা পাবেন এবং অসংখ্য জীবন বাঁচবে।’
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ টিকা প্রস্তুতকারক এই প্রতিষ্ঠানগত সপ্তাহে জানিয়েছিল, কোভিশিল্ডের জন্য রাজ্য সরকারগুলির কাছে ৪০০ ও বেসরকারি হাসপাতালের কাছে ৬০০ টাকা নেওয়া হবে। তার পরেই সমালোচনার ঝড় ওঠে বিরোধী শিবির থেকে। সিরামের এই সিদ্ধান্তকে ‘নির্মম’ বলে চিহ্নিত করেন তাঁরা। একই টিকার প্রতি ডোজ যেখানে কেন্দ্রকে ১৫০ টাকায় দেওয়া হচ্ছে, সে জায়গায় রাজ্যগুলির কাছ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়ার কোনও যুক্তিই থাকতে পারে না বলে সমালোচনায় সরব হয় কংগ্রেস। সমালোচনা থেকে বাঁচেনি কেন্দ্রও। বিরোধীদের বক্তব্য, এ রকম বৈষম্যমূলক পদক্ষেপে কেবল গুটিকতক বড় শিল্পপতি ছাড়া কেউ লাভবান হবে না।
পরে অবশ্য পুনাওয়ালা বিষয়টি বিশ্লেষণ করে জানান, দাম আলাদা নয়। তিনি বলেন, ‘নতুন চুক্তিতে কেন্দ্র-রাজ্য সব সরকারকেই ৪০০ টাকা দিয়ে টিকা কিনতে হবে। আগের কিছু চুক্তি ও দায়বদ্ধতার কারণে কেন্দ্রকে আপাতত ১৫০ টাকায় ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।’ পাশাপাশি, তিনি এ-ও জানান যে বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক টিকার তুলনায় কোভিশিল্ডের দাম অর্ধেক বা তিন ভাগের একভাগ।
কিছুদিন বাদে আবার কেন্দ্রের পাল্টা ব্যাখ্যায় তৈরি হয় জটিলতা। টুইট করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানান, কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন — দুই টিকার জন্যই কেন্দ্রের ক্রয়মূল্য ডোজ প্রতি ১৫০ টাকা থাকছে। সেই ডোজ রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে।
এ সবের মধ্যেই সিরামের বিরুদ্ধে এমন একটি বিপর্যয়কে কাজে লাগিয়ে লাভের অভিযোগে সরব হয় বিভিন্ন রাজ্য। এই পরিস্থিতিতে সিরাম এবং ভারত বায়োটেক, দুই সংস্থাকেই টিকার দাম কমাতে বলে কেন্দ্র। হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকার প্রতি ডোজ রাজ্যকে কিনতে হবে ৬০০ টাকায় এবং বেসরকারি হাসপাতালকে ১২০০ টাকায়।
প্রথমে কোভিড-যোদ্ধা ও পরে প্রবীণদের টিকাকরণ শুরু হয় দেশে। কিন্তু ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যে গত ১ এপ্রিল তা ৪৫-এর বেশি বয়সিদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। আর ১ মে থেকে ১৮-র উপরে সকলেই টিকা পাবেন বলে ঘোষণা করেছে সরকার।

কোভিশিল্ডের মূল্যে তারতম্যের অভিযোগের মুখে রাজ্যগুলির জন্য টিকার দাম কমাল পুনের সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া। প্রতিষ্ঠানের সিইও আদার পুনাওয়ালা বুধবার জানিয়েছেন, রাজ্যগুলি এখন এই টিকা ৪০০-র বদলে ৩০০ টাকায় কিনতে পারবে। সিরামের এই পদক্ষেপ ‘জনকল্যাণকর’ বলে তাঁর দাবি। আদারের কথায়, ‘এতে রাজ্যগুলি কয়েক হাজার কোটি টাকা বাঁচাতে পারবে। যার ফলে আরও বেশি মানুষ টিকা পাবেন এবং অসংখ্য জীবন বাঁচবে।’
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ টিকা প্রস্তুতকারক এই প্রতিষ্ঠানগত সপ্তাহে জানিয়েছিল, কোভিশিল্ডের জন্য রাজ্য সরকারগুলির কাছে ৪০০ ও বেসরকারি হাসপাতালের কাছে ৬০০ টাকা নেওয়া হবে। তার পরেই সমালোচনার ঝড় ওঠে বিরোধী শিবির থেকে। সিরামের এই সিদ্ধান্তকে ‘নির্মম’ বলে চিহ্নিত করেন তাঁরা। একই টিকার প্রতি ডোজ যেখানে কেন্দ্রকে ১৫০ টাকায় দেওয়া হচ্ছে, সে জায়গায় রাজ্যগুলির কাছ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়ার কোনও যুক্তিই থাকতে পারে না বলে সমালোচনায় সরব হয় কংগ্রেস। সমালোচনা থেকে বাঁচেনি কেন্দ্রও। বিরোধীদের বক্তব্য, এ রকম বৈষম্যমূলক পদক্ষেপে কেবল গুটিকতক বড় শিল্পপতি ছাড়া কেউ লাভবান হবে না।
পরে অবশ্য পুনাওয়ালা বিষয়টি বিশ্লেষণ করে জানান, দাম আলাদা নয়। তিনি বলেন, ‘নতুন চুক্তিতে কেন্দ্র-রাজ্য সব সরকারকেই ৪০০ টাকা দিয়ে টিকা কিনতে হবে। আগের কিছু চুক্তি ও দায়বদ্ধতার কারণে কেন্দ্রকে আপাতত ১৫০ টাকায় ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।’ পাশাপাশি, তিনি এ-ও জানান যে বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক টিকার তুলনায় কোভিশিল্ডের দাম অর্ধেক বা তিন ভাগের একভাগ।
কিছুদিন বাদে আবার কেন্দ্রের পাল্টা ব্যাখ্যায় তৈরি হয় জটিলতা। টুইট করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানান, কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন — দুই টিকার জন্যই কেন্দ্রের ক্রয়মূল্য ডোজ প্রতি ১৫০ টাকা থাকছে। সেই ডোজ রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে।
এ সবের মধ্যেই সিরামের বিরুদ্ধে এমন একটি বিপর্যয়কে কাজে লাগিয়ে লাভের অভিযোগে সরব হয় বিভিন্ন রাজ্য। এই পরিস্থিতিতে সিরাম এবং ভারত বায়োটেক, দুই সংস্থাকেই টিকার দাম কমাতে বলে কেন্দ্র। হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকার প্রতি ডোজ রাজ্যকে কিনতে হবে ৬০০ টাকায় এবং বেসরকারি হাসপাতালকে ১২০০ টাকায়।
প্রথমে কোভিড-যোদ্ধা ও পরে প্রবীণদের টিকাকরণ শুরু হয় দেশে। কিন্তু ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যে গত ১ এপ্রিল তা ৪৫-এর বেশি বয়সিদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। আর ১ মে থেকে ১৮-র উপরে সকলেই টিকা পাবেন বলে ঘোষণা করেছে সরকার।

কোভিশিল্ডের মূল্যে তারতম্যের অভিযোগের মুখে রাজ্যগুলির জন্য টিকার দাম কমাল পুনের সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া। প্রতিষ্ঠানের সিইও আদার পুনাওয়ালা বুধবার জানিয়েছেন, রাজ্যগুলি এখন এই টিকা ৪০০-র বদলে ৩০০ টাকায় কিনতে পারবে। সিরামের এই পদক্ষেপ ‘জনকল্যাণকর’ বলে তাঁর দাবি। আদারের কথায়, ‘এতে রাজ্যগুলি কয়েক হাজার কোটি টাকা বাঁচাতে পারবে। যার ফলে আরও বেশি মানুষ টিকা পাবেন এবং অসংখ্য জীবন বাঁচবে।’
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ টিকা প্রস্তুতকারক এই প্রতিষ্ঠানগত সপ্তাহে জানিয়েছিল, কোভিশিল্ডের জন্য রাজ্য সরকারগুলির কাছে ৪০০ ও বেসরকারি হাসপাতালের কাছে ৬০০ টাকা নেওয়া হবে। তার পরেই সমালোচনার ঝড় ওঠে বিরোধী শিবির থেকে। সিরামের এই সিদ্ধান্তকে ‘নির্মম’ বলে চিহ্নিত করেন তাঁরা। একই টিকার প্রতি ডোজ যেখানে কেন্দ্রকে ১৫০ টাকায় দেওয়া হচ্ছে, সে জায়গায় রাজ্যগুলির কাছ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়ার কোনও যুক্তিই থাকতে পারে না বলে সমালোচনায় সরব হয় কংগ্রেস। সমালোচনা থেকে বাঁচেনি কেন্দ্রও। বিরোধীদের বক্তব্য, এ রকম বৈষম্যমূলক পদক্ষেপে কেবল গুটিকতক বড় শিল্পপতি ছাড়া কেউ লাভবান হবে না।
পরে অবশ্য পুনাওয়ালা বিষয়টি বিশ্লেষণ করে জানান, দাম আলাদা নয়। তিনি বলেন, ‘নতুন চুক্তিতে কেন্দ্র-রাজ্য সব সরকারকেই ৪০০ টাকা দিয়ে টিকা কিনতে হবে। আগের কিছু চুক্তি ও দায়বদ্ধতার কারণে কেন্দ্রকে আপাতত ১৫০ টাকায় ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।’ পাশাপাশি, তিনি এ-ও জানান যে বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক টিকার তুলনায় কোভিশিল্ডের দাম অর্ধেক বা তিন ভাগের একভাগ।
কিছুদিন বাদে আবার কেন্দ্রের পাল্টা ব্যাখ্যায় তৈরি হয় জটিলতা। টুইট করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানান, কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন — দুই টিকার জন্যই কেন্দ্রের ক্রয়মূল্য ডোজ প্রতি ১৫০ টাকা থাকছে। সেই ডোজ রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে।
এ সবের মধ্যেই সিরামের বিরুদ্ধে এমন একটি বিপর্যয়কে কাজে লাগিয়ে লাভের অভিযোগে সরব হয় বিভিন্ন রাজ্য। এই পরিস্থিতিতে সিরাম এবং ভারত বায়োটেক, দুই সংস্থাকেই টিকার দাম কমাতে বলে কেন্দ্র। হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকার প্রতি ডোজ রাজ্যকে কিনতে হবে ৬০০ টাকায় এবং বেসরকারি হাসপাতালকে ১২০০ টাকায়।
প্রথমে কোভিড-যোদ্ধা ও পরে প্রবীণদের টিকাকরণ শুরু হয় দেশে। কিন্তু ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যে গত ১ এপ্রিল তা ৪৫-এর বেশি বয়সিদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। আর ১ মে থেকে ১৮-র উপরে সকলেই টিকা পাবেন বলে ঘোষণা করেছে সরকার।

কোভিশিল্ডের মূল্যে তারতম্যের অভিযোগের মুখে রাজ্যগুলির জন্য টিকার দাম কমাল পুনের সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া। প্রতিষ্ঠানের সিইও আদার পুনাওয়ালা বুধবার জানিয়েছেন, রাজ্যগুলি এখন এই টিকা ৪০০-র বদলে ৩০০ টাকায় কিনতে পারবে। সিরামের এই পদক্ষেপ ‘জনকল্যাণকর’ বলে তাঁর দাবি। আদারের কথায়, ‘এতে রাজ্যগুলি কয়েক হাজার কোটি টাকা বাঁচাতে পারবে। যার ফলে আরও বেশি মানুষ টিকা পাবেন এবং অসংখ্য জীবন বাঁচবে।’
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ টিকা প্রস্তুতকারক এই প্রতিষ্ঠানগত সপ্তাহে জানিয়েছিল, কোভিশিল্ডের জন্য রাজ্য সরকারগুলির কাছে ৪০০ ও বেসরকারি হাসপাতালের কাছে ৬০০ টাকা নেওয়া হবে। তার পরেই সমালোচনার ঝড় ওঠে বিরোধী শিবির থেকে। সিরামের এই সিদ্ধান্তকে ‘নির্মম’ বলে চিহ্নিত করেন তাঁরা। একই টিকার প্রতি ডোজ যেখানে কেন্দ্রকে ১৫০ টাকায় দেওয়া হচ্ছে, সে জায়গায় রাজ্যগুলির কাছ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়ার কোনও যুক্তিই থাকতে পারে না বলে সমালোচনায় সরব হয় কংগ্রেস। সমালোচনা থেকে বাঁচেনি কেন্দ্রও। বিরোধীদের বক্তব্য, এ রকম বৈষম্যমূলক পদক্ষেপে কেবল গুটিকতক বড় শিল্পপতি ছাড়া কেউ লাভবান হবে না।
পরে অবশ্য পুনাওয়ালা বিষয়টি বিশ্লেষণ করে জানান, দাম আলাদা নয়। তিনি বলেন, ‘নতুন চুক্তিতে কেন্দ্র-রাজ্য সব সরকারকেই ৪০০ টাকা দিয়ে টিকা কিনতে হবে। আগের কিছু চুক্তি ও দায়বদ্ধতার কারণে কেন্দ্রকে আপাতত ১৫০ টাকায় ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।’ পাশাপাশি, তিনি এ-ও জানান যে বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক টিকার তুলনায় কোভিশিল্ডের দাম অর্ধেক বা তিন ভাগের একভাগ।
কিছুদিন বাদে আবার কেন্দ্রের পাল্টা ব্যাখ্যায় তৈরি হয় জটিলতা। টুইট করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানান, কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন — দুই টিকার জন্যই কেন্দ্রের ক্রয়মূল্য ডোজ প্রতি ১৫০ টাকা থাকছে। সেই ডোজ রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে।
এ সবের মধ্যেই সিরামের বিরুদ্ধে এমন একটি বিপর্যয়কে কাজে লাগিয়ে লাভের অভিযোগে সরব হয় বিভিন্ন রাজ্য। এই পরিস্থিতিতে সিরাম এবং ভারত বায়োটেক, দুই সংস্থাকেই টিকার দাম কমাতে বলে কেন্দ্র। হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকার প্রতি ডোজ রাজ্যকে কিনতে হবে ৬০০ টাকায় এবং বেসরকারি হাসপাতালকে ১২০০ টাকায়।
প্রথমে কোভিড-যোদ্ধা ও পরে প্রবীণদের টিকাকরণ শুরু হয় দেশে। কিন্তু ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যে গত ১ এপ্রিল তা ৪৫-এর বেশি বয়সিদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। আর ১ মে থেকে ১৮-র উপরে সকলেই টিকা পাবেন বলে ঘোষণা করেছে সরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top