৫ শতাংশ বেড়ে দেশে দৈনিক সংক্রমণ ৪৫ হাজারের বেশি, মারা গেলেন হিমাচলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

Birbhadra-Singh.jpg

হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিং

Onlooker desk: দেশে ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেল করোনা সংক্রমণের হার। বৃহস্পতিবার গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৫ হাজার ৮৯২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত ৮১৭। দিনদুয়েক আগে দৈনিক সংক্রমণ ৩৪ হাজারের আশপাশে পৌঁছলেও ফের তা বেড়েছে।
এ দিকে, এ দিন মারা গিয়েছেন হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিং। দ্বিতীয় বার করোনার ধরার পড়ার পরে একমাস ধরে মারণ ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছিলেন তিনি। কংগ্রেসের এই নেতার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। রাজ্য সরকার ১০ জুলাই পর্যন্ত তিন দিনের জাতীয় শোক পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গত দু’মাসে দু’বার করোনা ধরা পড়ে তাঁর। বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে চারটে নাগাদ মৃত্যু হয় বীরভদ্রের।
এ দিকে, করোনার কারণে এ বারও পুরীর রথযাত্রায় ভক্ত সমাগম নিষিদ্ধ। কেবল সেবায়েতরা করোনা টেস্ট করিয়ে তবে রথ টানতে পারবেন।
সে কারণে রথের দিন ভক্তদের বাড়িতে প্রদীপ জ্বালাতে বলেছেন পুরী জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ। এই নিয়ে দ্বিতীয় বছর করোনার জেরে পুরীর ভক্তদের রথ টানায় নিষেধাজ্ঞা জারি হল। তবে সশরীর হাজির হতে না পারলেও রথযাত্রার সরাসরি সম্প্রচার দেখা যাবে টেলিভিশনে। পুরী জগন্নাথ মন্দিরের খুন্তিয়া নিয়োগের প্রেসিডেন্ট কৃষ্ণ চন্দ্র খুন্তিয়া এ কথা জানিয়েছেন।
দ্বিতীয় ঢেউ কমে এখন আসন্ন তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। এর মধ্যে বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদলে পদ খুইয়েছেন প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আগে যে ১২ জন ইস্তফা দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হর্ষের প্রস্থান।
অনেকের মতে, দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার যে ব্যর্থ, এতে সেই অভিযোগেই কার্যত সিলমোহর দেওয়া হল। পাশাপাশি করোনাযুদ্ধে সরকারের উদ্যোগী মনোভাবও তুলে ধরার চেষ্টা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
এ বছর মার্চের গোড়ায় করোনাযুদ্ধে ভারত ‘জয়ী’ বলে ঘোষণা করে দিয়েছিলেন হর্ষ। তার সপ্তাহ তিনেক বাদ থেকে হু হু করে বাড়তে থাকে সংক্রমণের সংখ্যা। সেই সঙ্গে প্রকট হয় অক্সিজেনের অভাব, স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর ঘাটতি। এবং সরকারের প্রস্তুতির অভাব।
ভারতে বর্তমানে ৪ লক্ষ ৬০ হাজার ৭০৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছেন। যা দেশের এ পর্যন্ত সংক্রামিতের ১.৫ শতাংশ। সুস্থতার হার ৯৭.১৮ শতাংশ। পজিটিভিটির হার ২.৪২ শতাংশ। অর্থাৎ, প্রতি ১০০ জনে কতজন সংক্রামিত। গত ১৭ দিন ধরেই এই হার ৩ শতাংশের নীচে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top