কোভিড ১৯ মোকাবিলায় জরুরি বৈঠকে মোদী, দ্রুত দেড় হাজার অক্সিজেন প্লান্ট চালুর নির্দেশ

WhatsApp-Image-2021-07-09-at-3.56.42-PM.jpeg

Onlooker desk: দেশে অক্সিজেনের জোগান ও মজুতদারি নিয়ে আজ, শুক্রবার পর্যালোচনা বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
গোটা দেশে দেড় হাজার অক্সিজেন প্লান্ট তৈরি হচ্ছে। যার জেরে চার লক্ষেরও বেশি শয্যায় অক্সিজেনের জোগান নিশ্চিত হবে। এই বন্দোবস্ত বিভিন্ন রাজ্যের সব জেলায় তৈরি হচ্ছে। পিএম কেয়ার্সের পাশাপাশি অর্থের জোগান এসেছে নানা মন্ত্রক ও পাবলিক সেক্টর ইউনিট থেকে।
এ দিনের বৈঠক প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়। অক্সিজেন প্লান্ট তৈরির অগ্রগতি সম্পর্কে সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন আধিকারিকরা। তাঁকে জানানো হয়, এই অক্সিজেন প্লান্টগুলি তৈরি হয়ে গেলে চার লক্ষেরও বেশি শয্যায় প্রাণবায়ু সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
প্লান্টগুলি যাতে যত দ্রুত সম্ভব তৈরি করা যায়, সে দিকে নজর দিতে বলেন মোদী। পাশাপাশি, এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার পরামর্শ দেন।
বৃহস্পতিবারই নতুন মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠকে বসেন মোদী। সেখানে স্থির হয়, কোভিডের জন্য ২৩ হাজার ১২৩ কোটি টাকার নতুন প্যাকেজ দেওয়া হবে। এই প্যাকেজের নাম দেওয়া হয়েছে ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড হেল্থ সিস্টেমস প্রিপেয়ার্ডনেস প্যাকেজ: ফেজ ২।
এর মাধ্যমে ১,০৫০টি তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন স্টোরেজ ট্যাঙ্ক ইনস্টল করা যাবে। যার সঙ্গে মেডিক্যাল গ্যাস পাইপলাইনের যোগ থাকবে। দেশের প্রতিটি জেলায় যাতে এমন অন্তত একটি ইউনিট তৈরি করা যায়, সে দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে।
করোনার ভয়াবহ দ্বিতীয় ঢেউয়ের দাপাদাপির সময়ে সবচেয়ে প্রকট হয় অক্সিজেনের অভাব। বহু মানুষ প্রাণবায়ুর সঙ্কটে মারা গিয়েছেন। খালি সিলিন্ডার জোগাড় করতে নাকাল হয়েছেন মানুষ। তার মধ্যে বেআইনি মজুতদারির অভিযোগও উঠেছে।
তবে সবচেয়ে বেশি মুখ পুড়েছে সরকারের। কারণ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আগে তাদের কোনও প্রস্তুতিই ছিল না বলে সমালোচনায় সরব হয় নানা পক্ষ। সঙ্কটের চূড়ান্ত পর্বে অক্সিজেনের জন্য অন্য রাষ্ট্রের সাহায্যের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হয়।
প্রধানমন্ত্রী এ দিন অক্সিজেন প্লান্টের যথাযথ ব্যবহারেও গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি জানান, হাসপাতালের কর্মীদের প্লান্টের কাজ ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। প্রত্যেক জেলায় যাতে প্রশিক্ষিত কর্মী থাকেন, তা-ও নিশ্চিত করতে বলেন মোদী।
আধিকারিকরা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, বিশেষজ্ঞরা এ জন্য একটি প্রশিক্ষণের মডিউল তৈরি করেছেন। দেশজুড়ে ৮ হাজার কর্মীকে প্রশিক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য হয়েছে। এই পরিকল্পনার উপরে স্থানীয় ও জাতীয় স্তরে নজরদারির উপরেও জোর দিয়েছেন নমো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top