ইসলামাবাদে ভারতীয় হাই কমিশনে ড্রোন, অভিযোগ জানাল প্রবল ক্ষুব্ধ ভারত

drone-spotted-near-Jammu-military-base.jpg

প্রতীকী চিত্র

Onlooker desk: ইসলামাবাদে ভারতীয় হাই কমিশনের উপরে ড্রোন উড়তে দেখা গেল। শুক্রবার ঘটনাটি সামনে এসেছে। ইতিমধ্যেই এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। নিরাপত্তা লঙ্ঘনের এত বড় ঘটনা কী করে ঘটল, তা নিয়ে জোরালো প্রশ্ন উঠেছে।
সূত্রের খবর, হাই কমিশনে সে দিন একটি অনুষ্ঠান চলছিল। সেই সময়ে ড্রোনটিকে কমপ্লেক্স চত্বরে চক্কর কাটতে দেখা যায়।
ভারত একে নিরাপত্তা লঙ্ঘন হিসাবেই চিহ্নিত করছে। এ নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ তো জানানোই হয়েছে। পাশাপাশি পাকিস্তান কর্তপক্ষের কাছে অভিযোগও জানিয়েছে ভারত। তবে তা নোট ভারবেল বা অস্বাক্ষরিত কূটনৈতিক অভিযোগ। পাকিস্তানের মাটিতে এমন ঘটনায় ভারত যথেষ্ট ক্ষুব্ধ বলে জানিয়েছে।
তবে এ নিয়ে কোনও সরকারি বিবৃতি এখনও জারি হয়নি।
শুক্রবার সকালেই জম্মুর একটি বিএসএফ ঘাঁটিতে ড্রোন উড়তে দেখা যায়। আর্নিয়া আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে দেখা মেলে ওই কোয়াডকপ্টারের।
পাকিস্তানি ওই ড্রোন সীমান্ত লঙ্ঘন করে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিল। বিএসএফ জওয়ানদের তৎপরতায় বিপদ এড়ানো গিয়েছে। তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে গুলি করে সরিয়ে দেন ড্রোনটিকে।
গত রবিবার থেকে পরপর দেখা মিলছে ড্রোনের। গত রবিবার জম্মুর বায়ুসেনা বিমানবন্দরে পরপর দু’টি ড্রোন হামলা হয়। একটি ভবনের ছাদ তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দু’জন সামান্য আহতও হন।
নজিরবিহীন এই হামলার পিছনে পাকিস্তানের মদতের অভিযোগ উঠেছে। কারণ, সেনার মতে, যে ধরনের ড্রোন হামলা হয়েছে, তা রাষ্ট্রের মদত ছাড়া সম্ভব নয়। জৈশ এবং লস্করের নামও জড়িয়েছে ওই হামলায়। দেশে এই প্রথম কোনও সেনা ঘাঁটিতে এ ভাবে ড্রোন হামলার ঘটনা।
তারপরে ফের শুক্রবার সকালে আর্নিয়া সীমান্তের কাছে ড্রোনের হদিস। সর্বোপরি পাকিস্তানের মাটিতে ভারতীয় হাইকমিশনের চত্বরে তার দেখা মেলা। সবদিক থেকে প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে।
এ দিন সকালে যে ড্রোনটিকে আর্নিয়া সীমান্তে দেখা যায়, মনে করা হচ্ছে সেটি চর। ভারতীয় এলাকায় ঢুকে নজরদারির লক্ষ্যেই পাঠানো হয়েছিল সেটিকে। কারণ ওই ড্রোন উড়ে যাওয়ার পরে আশপাশে তল্লাশি চালানো হয়। কিন্তু কোনও অস্ত্র বা অন্য সামগ্রীর দেখা মেলেনি।
সেনাকর্তাদের মতে, ড্রোনে হানাদারি চালানো অত্যন্ত সহজ। কারণ যে ড্রোনে রবিবার হামলা চালানো হয়, তা বাড়িতেও যে কেউ বানাতে পারবেন। নির্বিচার ড্রোন-ব্যবহারেই বাড়ছে বিপদ।
তবে যে ভাবে হানা চালানো হয়েছিল, তা কোনও রাষ্ট্রের মদত ছাড়া সম্ভব নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top