উত্তর প্রদেশে পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচনে বিপুল জয় বিজেপির

WhatsApp-Image-2021-07-04-at-2.20.59-AM.jpeg

Onlooker desk: উত্তর প্রদেশের পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচনে বিপুল ভাবে জয়ী হলো গেরুয়া শিবির।
এ বারের চেয়ারপার্সন নির্বাচনে ৭৫টির মধ্যে ৬৭টি আসনেই জিতেছে বিজেপি। অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি পেয়েছে মাত্র পাঁচটি আসন। রাষ্ট্রীয় লোকদল, জনসত্তা দল ও নির্দল একটি করে আসন পেয়েছে।
অথচ ২০১৬-য় এই নির্বাচনেই ৭৫-এর মধ্যে ৬০টি আসন জিতেছিল সমাজবাদী পার্টি।
তবে এই ফল দেখে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আঁচ পাওয়ার চেষ্টা করা ঠিক হবে না। এমনটাই মত নির্বাচন বিশ্লেষকদের। আগামী বছর উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। বলা চলে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের অগ্নিপরীক্ষা।
সেই নির্বাচনে কোনদিকে হাওয়া বইবে, তা ঘিরে প্রবল কৌতূহল। নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহরাও এ নিয়ে যথেষ্ট তৎপর। নানা ইস্যুতে রাজ্যে যোগীর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নানা পথও নিচ্ছে বিজেপি।
শনিবার পঞ্চায়েতের ফল বেরোনোর পর রিগিংয়ের অভিযোগ তোলে সমাজবাদী পার্টি। এলাহাবাদে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠি চালায়।
জয়ের পরে টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন — উন্নয়ন, পরিষেবা ও আইন প্রতিষ্ঠার জন্য এই জয়। মানুষ এই তিন কারণে বিজেপিকে ভোট দিয়ে সম্মানজনক ভাবে জিতিয়েছে উত্তর প্রদেশে।
এই কৃতিত্ব তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ঝুলিতে দিয়েছেন। মোদীর টুইট — এই কৃতিত্ব মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নানা প্রকল্পের। এবং দলীয় কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমের।
উত্তর প্রদেশে বিজেপির প্রধান স্বতন্ত্র দেব সিং এই নির্বাচনের প্রেক্ষিতে আসন্ন বিধানসভা ভোটেও জয়ের দাবি করেন।
বিজেপির ২১ জন প্রার্থী এর আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেন সমাজবাদী পার্টির এক নেতাও।
তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও উত্তর প্রদেশের পঞ্চায়েত-পুরসভা নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন প্রার্থীরা। ২০১৬-তেই তেমন ঘটনা ঘটেছিল। সে বার সমাজবাদী পার্টি যে ৬০টি আসন পেয়েছিল, তার অর্ধেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি। তখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন অখিলেশ। তার পরের বছরই বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভাবে জয় হয় বিজেপির।
সে কারণেই শনিবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলের নিরিখে বিধানসভা ভোটের অনুমানে সায় নেই বিশ্লেষকদের।
উত্তর প্রদেশে জেলা পঞ্চায়েত সদস্যের সংখ্যা হাজার তিনেক। এই নির্বাচনে রাজ্যের ৭৫টি জেলার চেয়ারপার্সনদের বেছে নেওয়া হলো।
মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টি অবশ্য উত্তর প্রদেশের এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়েনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top