কাল, ১ জুলাই থেকে দাম বাড়ছে আমূল দুধের। কত হবে নতুন দাম?

WhatsApp-Image-2021-06-30-at-9.39.24-PM.jpeg

Onlooker desk: আমূল ব্র্যান্ডের সমস্ত দুধের দাম কাল, বৃহস্পতিবার থেকে বাড়ছে। সব দুধেরই দাম লিটারে দু’টাকা করে বাড়াচ্ছে সংস্থা। দ্য গুজরাট কো অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন (জিসিএমএমএফ) আমূলের বিভিন্ন দুধ ও সামগ্রী বিক্রি করে। তারাই দেশজুড়ে দাম বাড়ানোর কথা জানিয়েছে।
উপাদানের মূল্যবৃদ্ধির কারণেই দুধের দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে আমূল।
বৃদ্ধির ফলে ৫০০ মিলিলিটার আমূল গোল্ডের দাম হবে ২৯ টাকা। আমূল তাজা ২৩ টাকা এবং আমূল শক্তির দাম হবে প্রতি আধ লিটারে ২৬ টাকা। লিটারে ২ টাকা দাম বাড়া মানে এমআরপি-র উপরে ৪ শতাংশ বৃদ্ধি।
জিসিএমএমএফ-এর দাবি, এই বৃদ্ধি খাদ্যের গড় মূল্যবৃদ্ধির তুলনায় অনেকটা কম। তারা আরও জানিয়েছে, দেড় বছর বাদে বিভিন্ন ক্যাটেগরির দুধের দাম বাড়ানো হচ্ছে।
কোন কোন খাতে উপাদানের দাম বেড়েছে, তা-ও বিস্তারিত ভাবে জানিয়েছে আমূল। পরিবহণের পাশাপাশি প্যাকেজিং এবং লজিস্টিকসের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে লাগামহীন ভাবে। যার জেরে বাড়ছে দুধের মূল্য।
কেবল দুধ নয়। বহু এফএমসিজি সামগ্রীর দাম বেড়েছে। ভোজ্য তেলের দাম বেড়েছে গড়ে ৫০ শতাংশ। সাবান, ডিটারজেন্ট মহার্ঘ হয়েছে। ইনস্ট্যান্ট নুডলসের দাম আগের চেয়ে বেশি। সব মিলিয়ে মধ্য ও নিম্নবিত্তের নাভিশ্বাস।
এমনিতেই অতিমারীতে চিকিৎসা খাতে ব্যয় বেড়েছে। মাস্ক-স্যানিটাইজার কিনতেও ব্যয় হচ্ছে ভালোই। তার উপরে নিত্যপ্রয়োজনীয়, অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর দাম বাড়ায় নাকাল সাধারণ মানুষ। সেই তালিকায় এ বার সংযুক্ত হতে চলেছে দুদের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী। এ নিয়ে টুইটে প্রতিবাদ জানান সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি। তিনি লেখেন — প্রায় রোজই পেট্রোপণ্যের দাম বাড়ছে। তার উপরে এ বার বাড়ল দুধের দামও। মানুষের দুর্দশা আরও বাড়ল। মানুষের জন্য যদি বিন্দুমাত্র সহমর্মিতা থাকে, তা হলে নগদ ট্রান্সফার ও খাদ্য দেওয়ার ব্যবস্থা করুন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
জিসিএমএমএফ-এর বক্তব্য, ‘গত দেড় বছরে আমূল ফ্রেশ মিল্ক ক্যাটেগরির কোনও জিনিসের দাম বাড়ায়নি। এ কথাটা কিন্তু ভুললে চলবে না। তার পরে বিদ্যুৎ, প্যাকেজিং, লজিস্টিকস-সহ গোটা প্রক্রিয়ায় নানা খাতে মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে।’
ইনপুটের দামের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কিলো প্রতি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে কৃষি সামগ্রীর। গত বছরের তুলনায় যা ৬ শতাংশের বেশি।
কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমূলের রীতি ও নীতি একেবারে আলাদা বলে জিসিএমএমএফ জানিয়েছে। ক্রেতা যে মূল্যে দুধ বা দুগ্ধজাত সামগ্রী কেনেন, তার প্রতিটি টাকা থেকে ৮০ পয়সা উৎপাদকদের কাছে যায়। তাঁদের প্রতি যাতে বঞ্চনা করা না-হয়, সেই লক্ষ্যেই এই দাম বৃদ্ধি বলে আমূল জানাচ্ছে। এতে উৎপাদকদের পরিশ্রমের যথাযথ মূল্য দেওয়া যাবে। পাশাপাশি আরও বেশি উৎপাদনে উৎসাহিত করা যাবে বলেও আশা করছে সংস্থা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top