বিজেপি এজেন্টের বৌমাকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে কান ধরে ওঠবস করালেন তৃণমূল নেত্রী

064EF229-EE38-4221-8B76-3A87B44D747C.jpeg

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: প্রকাশ্য দিবালোকে পথ চলতি মানুষের সামনে বিজেপি এজেন্টের বৌমাকেকান ধরে ওঠবস করাচ্ছেন তৃণমূলের এক নেত্রী। পাশে দাঁড়িয়ে মায়ের উপরে চলা নির্যাতন চাক্ষুষ করেশুধু চোখের জল ফেলছে মেয়ে। বর্ধমান শহরের হ্যাচারি রোড ক্যানেলপাড় এলাকায় ঘটল এমনইঘটনা। বৃহস্পতিবার সেই ভিডিও নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়। যা দেখে স্তম্ভিত বর্ধমানবাসী। নিন্দার ঝড়ওঠে নানা মহলে। যদিও বৈকুণ্ঠপুর পঞ্চায়েতের সদস্যা তথা তৃণমূল নেত্রী মিতা দাস এদিন সাফাইদেন, তিনি কিছু করেননি। এলাকার সাধারণ মানুষ এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। তিনি শুধু ওই জায়গায় উপস্থিতছিলেন মাত্র। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব দাবি, ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকে তৃণমূলের নেতানেত্রীরা যেতালিবানি  কায়দায় বিরোধীদের উপরে সন্ত্রাস চালাচ্ছেন, এই ঘটনা তারই প্রমাণ।

ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, বাজারের মধ্যে শাড়ি পড়া এক মহিলা কান ধরে ওঠবস করছেন। পাশেবাজারের থলি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন তাঁর মেয়ে। উল্টোদিকে, তাঁকে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূলনেত্রী মিতা দাস। কানধরে ওঠবস করার সময় কাঁদছেন ওই মহিলা।আর  মায়ের উপরে চলা নির্যাতনদেখে তাঁর মেয়েও কাঁদছেন। কিন্তু মহিলার কান্না দেখেও দমে যাননি তৃণমূল নেত্রী। ভিডিওতে দেখা যায়তৃণমূল নেত্রী মুখের মাস্ক গলায় ঝুলিয়ে আরও কড়া শাস্তির হুমকি দিয়ে চলেছেন।

জানা গিয়েছে, ওই মহিলার ভাসুর বর্ধমান উত্তর বিধানসভার ৩১ নম্বর জেলা পরিষদের একটি বুথেরএজেন্ট  ছিলেন। মূলত বিজেপি করারঅপরাধেইপ্রিয়াঙ্কাকে শাস্তি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শ্যামল রায় বলেন, ‘তৃণমূল জয়ী হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গে  ১৯৪৬ সালের অবস্থা ফিরে এসেছে। ওই মহিলার ভাসুর বিজেপির বুথ এজেন্ট ছিলেন। তাই মিতা রায়তাঁকে শাস্তি দিলেন। বিষয়টি আমরা পুলিশকে জানালেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।

বর্ধমান উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক নিশীথ মালিক বলেন, ‘এমন ঘটনা আমার জানা নেই।খোঁজ নিয়েদেখতে হবে।তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও নেতাকর্মী এমন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top