রেল শহর চিত্তরঞ্জনে ফের শুটআউট, সংরক্ষিত শহরে বার বার এমন ঘটনায় প্রশ্ন

CHITTARANJAN.jpg

আসানসোল: রেল শহর চিত্তরঞ্জনে ফের শুটআউট। শুক্রবার গভীর রাতে গাড়ির মধ্যেই তাঁকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। মৃত আনন্দ ভাট (৪৬) পেশায় রেলকর্মী। পাশাপাশি তিনি প্রাইভেট টিউশনিও করতেন। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে আরপিএফ ও পুলিশ। তবে রেলকর্মীকে এ ভাবে খুন করার পিছনে কী কারণ রয়েছে, তা শনিবার সকাল পর্যন্ত জানা যায়নি। এর আগে জামতাড়ার যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদককে গুলি করা হয়েছিল। তার আগেও কয়েকটি গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছিল। চিত্তরঞ্জনের মতো সংরক্ষিত শহরে বার বার এমন ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রেল শহরের ৫৩ নম্বর রোডের বাসিন্দা আনন্দ। রেল কারখানার মেন শপের চাকরি করতেন। তবে প্রাইভেট টিউটর হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিলেন। কারণ বহু ছেলেমেয়েকে বিনা পয়সায় পড়াতেন। শুধু তাই নয়, গত বছর লকডাউনের সময় বহু মানুষকে সাহায্য করেছিলেন তিনি। এ বার করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়েও অনেকের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় কিছু জিনিসপত্র কিনতে বাড়ি থেকে বেরোন আনন্দ। কিছুক্ষণ পর তাঁর ফোন বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি ফিরতে দেরি হওয়ায় বাড়ির লোক খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। না পেয়ে বিষয়টি পুলিশে জানান পরিবারের লোকজন। পুলিশ মোবাইলের টাওয়ার লোকশন অনুযায়ী আনন্দর শেষ অবস্থান জানতে পারে। সেই মতো শহরের কর্নেল সিং পার্ক এলাকায় খোঁজ করে। কিন্তু সেখানেও কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। এদিকে রাতে ওই এলাকাতেই গাড়ির চালকের আসনে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে পাওয়া যায়। প্রায় ৬ থেকে ৭টি গুলি লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। ওই গাড়িটি তিনি রেলের অফিসে ভাড়ায় খাটাতেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এই খুনের সঙ্গে কে বা কারা জড়িত তা নিয়ে ধোঁয়াশা দেখা দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top